Calcutta HC

আপ্ত সহায়কের খোঁজে অভিষেকের বাড়িতে তল্লাশি, ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণের নির্দেশ হাই কোর্টের

চার সপ্তাহের মধ্যে তল্লাশি সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে হলফনামা জমা দেবে রাজ্য। তার দু'সপ্তাহের মধ্যে জবাবি হলফনামা দেবেন আবেদনকারী।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ২১:৪০

options
link
আপ্ত সহায়কের খোঁজে অভিষেকের বাড়িতে তল্লাশি, ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণের নির্দেশ হাই কোর্টের
ফাইল ছবি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালিঘাটের বাড়িতে শালবনি থানার তল্লাশির সিসিটিভি ফুটেজ সঙ্গে অডিও ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণের নির্দেশ হাই কোর্টের। চার সপ্তাহের মধ্যে তল্লাশি সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে হলফনামা জমা দেবে রাজ্য। তার দু’সপ্তাহের মধ্যে জবাবি হলফনামা দেবেন আবেদনকারী। এমনই নির্দেশ দিল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। পাঁচ সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি।

Advertisement

হাই কোর্টে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করেন কিশোর দত্ত। সওয়ালের সময় তিনি জানান, একটি এফআইআরের ভিত্তিতে পুলিশ বাড়িতে এল। একজনকে খুঁজল। ৩টের সময় এল।বিচারপতি ভট্টাচার্য বলেন, “আপনি কি তল্লাশি বিরুদ্ধে?” কিশোর দত্ত বলেন, “আমি পুলিশের অতিসক্রিয়তার বিরুদ্ধে। কোনও ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে। অভিযোগ দেখুন সেখানে আমার মক্কেলের নাম নেই। সুমিত রায়ের নাম আছে। সুমিত বাড়িতে আছে এই সন্দেহে তল্লাশি হল।” এরপর বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “১৩ জুন সার্চ হয়ে গিয়েছে। এখন কি চাইছেন?” অভিষেকের আইনজীবী জানান, “সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা হোক।”

Advertisement

এরপরই সরকারি আইনজীবীর কাছে বিচারপতি প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, “অতো রাতে কেন তল্লাশি?” জানানো হয় অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যেতে পারত।” সওয়াল জবাবের পর সংশ্লিষ্ট থানাকে সার্চ ও সিজারের সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ সঙ্গে অডিও ও ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দুই পক্ষেরই হলফনামা তলব করেছে আদালত।

Advertisement

উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজে বাড়িতে তল্লাশি চালায় শালবনি থানার পুলিশ। তালা ভেঙে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে ঢোকেন পুলিশ আধিকারিকরা। সেই সময় বাইরে বাড়ি ঘিরে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। জমি দুর্নীতি অভিযোগ রয়েছে অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সুমিতের খোঁজে তল্লাশি চলে। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে অভিষেকের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়ির ঠিকানার খোঁজ পাওয়া যায়। তার ভিত্তিতেই ভোর তিনটে নাগাদ অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশবাহিনী। সেই তল্লাশির বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলায় সিসিটিভি ফুটেজ ও অডিও ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণের নির্দেশ হাই কোর্টের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.