Calcutta HC

স্কুলের সময়ে জনগণনার কাজে শিক্ষকরা! রাজ্যের কাছে জবাব তলব হাই কোর্টের

জনগণনার কাজে শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া দেওয়া হয়েছে। এহেন সিদ্ধান্ত ঘিরেই মামলা হয় কলকাতা হাই কোর্টে।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১৭:২৪

options
link
স্কুলের সময়ে জনগণনার কাজে শিক্ষকরা! রাজ্যের কাছে জবাব তলব হাই কোর্টের
ফাইল ছবি।

স্কুলের পঠনপাঠনের সময়ে শিক্ষকদের জনগণনার কাজে নিয়োগ! তাও আবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে। রাজ্যের এহেন সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta HC)। শুধু তাই নয়, ছুটির দিন অর্থাৎ শনিবার এবং রবিবারও কীভাবে শিক্ষকদের কাজে লাগানো হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। এহেন পরিস্থিতিতে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সচল রাখতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা জানিয়ে রাজ্যকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতির। আগামী বুধবার ফের এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে।

Advertisement

জনগণনার কাজে শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া দেওয়া হয়েছে। এহেন সিদ্ধান্ত ঘিরেই মামলা হয় কলকাতা হাই কোর্টে। এদিন বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে এদিন একাধিক প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। রাজ্যের কাছে হাই কোর্ট জানতে চায়, এই কাজের জন্য একতরফাভাবে কেন কেবল স্কুলশিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের নামানো হল? জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত, পুরসভা-সহ বিধানসভার মতো একাধিক দপ্তরে কর্মী থাকা সত্ত্বেও কেন শিক্ষকদেরই এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, স্কুলের প্রধান কাজ পঠনপাঠন। ক্লাসের সময়ে জনগণনার মতো প্রশাসনিক কাজ করানো কতটা যুক্তিসঙ্গত? সুপ্রিম কোর্ট কখনই বাধ্যতামূলকভাবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেয়নি বলেও পর্যবেক্ষণ আদালতের।

Advertisement

যদিও জনগণনার কাজে শিক্ষকদের যুক্ত করা কেন জরুরি তা পালটা তুলে ধরেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল। শুধু তাই নয়, কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ না হলে সময় বাড়ানো হতে পারে বলেও আদালতকে জানান তিনি। যদিও অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলের এহেন যুক্তিতে আদালত সন্তোষ প্রকাশ করতে পারেনি। এরপরই শিক্ষা ব্যবস্থাকে সচল রাখতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে রাজ্যকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। শুধু তাই নয়, জনগণনা কতৃপক্ষজকেও কাজের সময়সীমা এবং কর্মপদ্ধতি স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে বিচারপতির স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আলোচনা করে দ্রুত সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না নিলে আদালতই চূড়ান্ত রায় দেবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.