Calcutta Medical College

কলকাতা মেডিক্যালকে বিশেষ স্বীকৃতি কেন্দ্রীয় সংস্থার, মিলবে বিশেষ পুরস্কার

৫টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০২৪, ১৭:৫৭

options
link
কলকাতা মেডিক্যালকে বিশেষ স্বীকৃতি কেন্দ্রীয় সংস্থার, মিলবে বিশেষ পুরস্কার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর জি কর, এসএসকেএম, এনআরএস-কে টপকে রাজ্যের সেরা চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় স্বীকৃতি পেল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। কলেজের তহবিলে জমা পড়ল এক কোটি টাকার কেন্দ্রীয় অনুদান। আর বাকিরা? এখানেই শেষ নয়, কলকাতার স্বনামধন্য বাকি তিন সরকারি মেডিক্যাল কলেজকে এবার চিকিৎসা গবেষণার ট্রেনিং নিতে হবে কলকাতা মেডিক্য়াল কলেজে এসে।

Advertisement

আগামী ১২ থেকে ১৪ ডিসেম্বর, তিনদিন দেশের চিকিৎসা গবেষণার প্রধান সংস্থা আইসিএমআর-এর গবেষণা সংক্রান্ত ওয়ার্কশপ চলবে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। এমনটাই নির্দেশ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের। চলতি বছর দিল্লিতে আইসিএমআর-এর তরফে রাজ্যের চার প্রথম সারির মেডিক্যাল রিসার্চ ইউনিটকে ডেকে পাঠানো হয়। ৫টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তাঁদের মূল্যায়ন করে আইসিএমআর। সেগুলি হল: ১, কতগুলি গবেষণা চলছে? ২, কতগুলি গবেষণা সম্পূর্ণ হয়েছে? ৩, কতগুলি গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত? ৪, কতগুলি বিষয়ে পেটেন্ট মিলেছে বা নতুন প্রজেক্ট তৈরি হয়েছে? ৫, কেন্দ্রের পাঠানো ১.২৫ কোটি টাকা অনুদানের ন্যূনতম ৭০% ব্যবহার হয়েছে কিনা?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মূল্যায়নের পরে জানিয়ে দেয়, দশের মধ্যে সাত নম্বর পেয়ে রাজ্যের সেরা চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কলকাতা মেডিক্যাল। দ্বিতীয় স্থানে পিজি হাসপাতাল। চিকিৎসা গবেষণায় উৎসাহ দিতে সারা দেশের ১২৫টি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে ২০১৪ সালে মেডিক্যাল রিসার্চ ইউনিট প্রকল্প চালু করে কেন্দ্র। ২০১৭ সাল থেকে আমাদের রাজ্যে চালু হয় এই ইউনিটগুলি। কেন্দ্র সরকারের এই প্রকল্পে চিকিৎসা গবেষণার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, তিন বছরে পাঁচ কোটি টাকা অনুদান পাবে।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.