RG Kar Case

শ্মশানে কী মিলল? আর জি কর কাণ্ডে শিয়ালদহ আদালতে নয়া স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই

পরিবারের সদস্যরা যে বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, সেই দিকগুলি খতিয়ে দেখা হয়েছে। কিছু বিষয়ে এখনও তদন্ত বাকি। আদলতে এ কথা জানালেন সিবিআইয়ের আইনজীবী।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৮:০১

options
link
শ্মশানে কী মিলল? আর জি কর কাণ্ডে শিয়ালদহ আদালতে নয়া স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই
ফাইল ছবি।

আর জি কর কাণ্ডে (RG Kar Case) ১৩ তম স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা করল সিবিআই। মঙ্গলবার শিয়ালদহ আদালতে রিপোর্ট জমা দিল নতুন তদন্তকারী দল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী আদালতে জানান, বিভিন্ন নথি, সিসিটিভি, মেডিক্যাল ও ফরেনসিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখেছেন তদন্তকারীরা। যে শ্মশানে নির্যাতিতাকে দাহ করা হয়েছে, সেখানে গিয়ে তদন্ত করছে সিবিআইয়ের সিট। মনে করা হচ্ছে, সেখান থেকে যে তথ্য তাঁরা পেয়েছেন সেই বিষয়টি রয়েছে স্ট্যাটাস রিপোর্টে।

Advertisement

সিবিআইয়ের আইনজীবী আরও জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যরা যে বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, সেই দিকগুলি খতিয়ে দেখা হয়েছে। কিছু বিষয়ে এখনও তদন্ত বাকি। নতুন রিপোর্ট জমা হওয়ার পর নির্যাতিতার বাবা জানান, “আমরা খুশি, তেমনটা নয়। তবে সিবিআইয়ের বর্তমান তদন্তকারী দল আমাদের সঙ্গে কথা বলছে। তদন্ত করেছে। এই মামলায় রাজ্য-সহ গোটা দেশ ও পৃথিবীর মানুষ তাকিয়ে আছেন। দোষীদের শাস্তি দিতেই হবে।” মামলার পরবর্তী শুনানি ২০ নভেম্বর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সিবিআইয়ের রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী সিবিআইয়ের ভূমিকায় আরও একবার কার্যত প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি আদালতে বলেন, “সবাই জানে কারা এই ঘটনায় যুক্ত। যাদের তদন্তের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে তারা কী অবস্থায় আছে। দু’বছর ধরে সেই একই কথা, তদন্ত চলছে। সবাই জানে কারা যুক্ত ও অভিযুক্ত। তবু সঞ্জয় আর আরও দু’জন গ্রেপ্তার হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “যাদের আমরা আসল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করছি তারা তদন্তের বাইরে কীভাবে আছে সেটা দেখা হোক। কেস ডায়েরিতে কিছু উল্লেখ আছে কি না দেখা হোক।” সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, মামলার কেস ডায়েরি আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

উল্লেখ্য, নির্যাতিতার সঙ্গে থাকা চারজন চিকিৎসক সিবিআইকে জানান, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট রাতে ওই নির্যাতিতা ও তাঁরা প্রত্যেকেই চেস্ট ওপিডিতে নাইট ডিউটিতে ছিলেন। রাত সওয়া দশটা নাগাদ ওই চার সহকর্মী ও নিজের জন্য খাবার সরবরাহকারী অ্যাপে নির্যাতিতা খাবারের অর্ডার দেন। যে সেমিনার রুম থেকে নির্যাতিতার দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই রুমের ডায়াসে বসেই পাঁচজন অলিম্পিক দেখতে দেখতে ডিনার করেন। সেদিন তথা ৯ আগস্ট রাত ১২টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ডিনার পর্বে পাঁচজন একসঙ্গেই ছিলেন। ওই চার চিকিৎসককে নির্যাতিতার সঙ্গেই দেখা গিয়েছিল।

সিবিআইকে তাঁরা জানান, এরপর নির্যাতিতা ডায়াসে ম্যাট্রেসের উপর ঘুমিয়ে পড়েন। দুই চিকিৎসক স্টাডি রুমে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। একজন ইন্টার্ন রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। চতুর্থজন এমার্জেন্সি ওয়ার্ডে ডিউটি করতে যান। তাঁর সঙ্গে রাতে ফোনে একবার নির্যাতিতার কথাও হয়। নির্যাতিতা ওই চিকিৎসককে পরামর্শও দেন। তাঁদের মধ্যেই একজন ৯ আগস্ট সকাল সাড়ে নটা নাগাদ সেমিনার রুমে এসে নির্যাতিতাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.