Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Baruipur Case

বারুইপুর এনকাউন্টারে সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ হাই কোর্টের, তিন সপ্তাহে শেষ করতে হবে তদন্ত

বারুইপুর নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছিল এক অভিযুক্তের। সেই বিষয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে। এনকাউন্টারের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল হাই কোর্ট।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৭:৫৮

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৭:৫৮

options
link
বারুইপুর এনকাউন্টারে সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ হাই কোর্টের, তিন সপ্তাহে শেষ করতে হবে তদন্ত zoom
সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ হাই কোর্টের।
Advertisement

বারুইপুর নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে এনকাউন্টারে (Baruipur Encounter) মৃত্যু হয়েছিল এক অভিযুক্তের। সেই বিষয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে। এনকাউন্টারের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল হাই কোর্ট। ওই ঘটনায় তদন্ত যাতে দ্রুত শেষ হয়, সেই বিষয়টিও আদালত নিশ্চিত করতে বলেছে। কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলছে।

আজ, মঙ্গলবার বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি ঋতব্রতকুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ ওই মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই বিচারপতিরা বলেন, ওই ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। তিন সপ্তাহ পর ফের এই মামলার শুনানি। এই সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে তদন্তপ্রক্রিয়া। ঘটনার সিসিটিভি সংরক্ষণ করা হয়েছে। সেই কথা ইতিমধ্যেই আদালতে জানিয়েছে রাজ্য। বারুইপুরের এনকাউন্টারের ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত জুলাই মাসে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে এলাকারই একটি পুকুর থেকে তার বস্তাবন্দি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ উঠেছিল। প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল স্থানীয়দের মধ্যে। ঘটনায় প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর সর্দার, আনন্দ সর্দার, কবীর মোল্লা নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরে গিয়ে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। কাউকে ছাড়া হবে না, সেই কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

পুলিশ প্রথম অভিযুক্ত হিসেবে প্রভাস মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছিল। প্রভাস দেখিয়ে দিয়েছিলেন, নাবালিকার দেহ কোথায় ফেলা হয়েছিল। ৭ জুলাই রাতে প্রভাসকে নিয়ে তদন্তকারীরা ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য বেরিয়েছিলেন। পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর প্রভাস পুলিশের বন্দুক ছিনতাই করে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালান বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত আত্মরক্ষার জন্য পালটা গুলি চালায় পুলিশ। তাতেই মৃত্যু হয়েছিল প্রভাসের। প্রভাসকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিলেন বারুইপুর থানার পিসি ইনচার্জ অর্ঘ্য মণ্ডল।

যদিও ওই এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। এরপরই রাজ্য পুলিশের সিআইডি-কে ওই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টে মামলাও হয়েছে। সেই মামলাতেই এবার এই নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.