Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Office Work Tips

সহকর্মীর মাঝেই খুঁজে পেয়েছেন প্রিয় বন্ধু? এই ৫ গোপন কথা না জানানোই বুদ্ধিমানের কাজ

কথায় বলে, অফিসে কখনও কেউ বন্ধু হয় না। তবে এর ব্যতিক্রমও কিন্তু আছে। অনেকেই আছেন যারা অফিসে এসেই পেয়েছেন প্রাণের বন্ধু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৮:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১৮:১৬

options
link
সহকর্মীর মাঝেই খুঁজে পেয়েছেন প্রিয় বন্ধু? এই ৫ গোপন কথা না জানানোই বুদ্ধিমানের কাজ zoom
সহকর্মীর সঙ্গে বন্ধুত্ব হলেও এই কথাগুলো বলবেন না।
Advertisement

কর্মরতদের দিনের একটা বড় সময় কাটে অফিসে। স্বাভাবিকভাবেই সহকর্মীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি হয়। আর বন্ধু মানেই মনের কথা প্রকাশের নির্ভরযোগ্য জায়গা। যদিও কথায় বলে, অফিসে কখনও কেউ বন্ধু হয় না। এর একটা বড় কারণ বয়স। সেই সঙ্গে একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার মানসিকতা তো থাকেই। তবে এর ব্যতিক্রমও কিন্তু আছে। অনেকেই আছেন যারা অফিসে এসেই পেয়েছেন প্রাণের বন্ধু। কিন্তু যতই বন্ধুত্ব গাঢ় হোক না কেন, বিশেষজ্ঞদের দাবি সহকর্মীর কাছে পাঁচটি বিষয় গোপন রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। নইলে বিপদ ঘটার সম্ভাবনা প্রবল। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক সেগুলো কী কী।

১. বন্ধুত্ব যতই গভীর হোক, একেবার সঠিক বেতন না বলাই বুদ্ধিমানের কাজ। হয়তো আপনারা সত্যিই ভীষণ ভালো বন্ধু, তবে কখন যে কোন সম্পর্ক কোন মোড়ে গিয়ে দাঁড়ায় তা কে বলতে পারে! আপনার বেতন শুনে তাঁর ইর্ষা বা রাগ হতেই পারে। তার মনে হতে পারে আপনি যোগ্যতার তুলনায় বেশি বেতন পাচ্ছেন। তিনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারেন। যা আদতে আপনাদের সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Office Work Tips: Keep These 5 Secrets From Your Coworkers
সহকর্মীর সঙ্গে বন্ধুত্ব হলেও এই কথাগুলো বলবেন না।

২. সহকর্মীরা সকলে যে একইভাবে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করবেন তা কখনই কাম্য নয়। একইভাবে সকলের প্রতি যে একইরকম মনোভাব থাকবে তাও নয়। ফলে সহকর্মীদের বিরুদ্ধে অভাব-অভিযোগ থাকেই। কিন্তু প্রিয় সহকর্মীর সঙ্গে এই নিয়ে কথা না বলাই ভালো। কারণ অফিসে যে কোনও তথ্য ছড়িয়ে পড়ে বিদ্যুতের গতিতে। যা পরবর্তীতে আপনার জন্য সমস্যার হয়ে দাঁড়াতে পারে।

৩. বসের সিদ্ধান্ত কখনও কোনও কর্মীই খুশি হন না। কিন্তু প্রকাশ্যে তা নিয়ে মুখ খোলা কিন্তু বোকামির চিহ্ন। কারণ কথায় বলে দেওয়ালেরও কান আছে। একেবারে ব্যক্তিগত খোলামেলা আলোচনা কখন যে ছড়িয়ে পড়বে অফিসে, তা কে বলতে পারে। আর অফিস মানেই পলিটিকস, যে কোনও মুহূর্তে সমীকরণ বদতে যেতেই পারে। তখন যে আপনার বলা কথাই আপনার বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে না, এই নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। ফলে এর সঙ্গে সরাসরি বস বা ম্যানেজমেন্টের যোগ থাকলে চাকরিও যেতে পারে।

৪. কেরিয়ারের উন্নতি কে না চায়। যে যত ভালো চাকরি করে, তার আশা থাকে আরও ভালো কিছুর। চাকরি ছাড়া বা অন্য কোথাও যদি ইন্টারভিউ দিয়ে থাকেন কোনওভাবেই তা পছন্দের সহকর্মীকে বলবেন না। জানাজানি হলে অনেকরকম সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

৫. সকলের জীবনেই কিছু না কিছু সমস্যা থাকে। কেউ বিবাহিত জীবন নিয়ে সুখী নয়। কারও অন্য কোনও পারিবারিক সমস্যায় জেরবার দশা। কিন্তু মনে রাখবনে সহকর্মী যতই বন্ধু হোক, এই ধরণের সমস্যার কথা কখনই তাঁকে বলা ঠিক নয়। সবটা জানার পর উলটোদিকে মানুষটা যদি আপনার প্রতি অতিরিক্ত সহানুভূতিশীল হয়ে পড়ে তা আপনাকে কষ্ট দিতে পারে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.