তামিল রীতিতে দেবীরূপে পূজিত হয় হবু মা, সামান্থার সাধের ছবিতে মুগ্ধ নেটপাড়া
আরও পড়ুন:
যে বিশেষ রীতিতে সাধভক্ষণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল সেটিকে বলে 'কলা আবরণ'। সুন্দর করে এই রীতির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করেছেন সামান্থা। এই রীতি দেবীর ৯৪টি কলাকে সম্মান জানানোর সঙ্গে যুক্ত। তাঁর কথায়, 'আমাদের ঐতিহ্যের প্রতি সবসময়ই গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। প্রতিটি আচার-অনুষ্ঠানের অন্তর্নিহিত অর্থ হয়ত আমি বুঝি না কিন্তু বিশ্বাস করেছি প্রতিটি রীতির নেপথ্যে গভীরতা রয়েছে।'
এই রীতির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ সামান্থা। এই রীতি প্রসঙ্গে আরও বলেন, 'প্রতিটি মন্ত্রের ধ্বনিতে, প্রার্থনার মাধ্যমে সৃষ্ট শক্তি এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রাচীন রীতিনীতি যত্নসহকারে সংরক্ষিত ও উত্তরাধিকারসূত্রে বহন করে আনা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওই শক্তিকেন্দ্রগুলিকে শুদ্ধ ও উদ্দীপ্ত করা হয়।'
'কলা আবরণ'-এর এই বিশেষ রীতির যে দিকটি তাঁর হৃদয়কে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে সেটি হল, মাকে দেবীরূপে পুজো করা হয়। শুধু গর্ভস্থ শিশুর জন্য আশীর্বাদ বা মঙ্গলকামনা নয়, যে নারীশরীরে ছোট্ট প্রাণ বেড়ে উঠছে প্রত্যেকে তাঁর শুভকামনা করেন। আর একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমান্থার উপর পুষ্পবৃষ্টি। গর্ভবতী সামান্থা বসে রয়েছেন শ্রীচক্র যন্ত্রের পবিত্র কেন্দ্রে। যার নয়টি ‘আবরণ’ আধ্যাত্মিক যাত্রার বিভিন্ন স্তরের প্রতীক।
আরও পড়ুন:
সাধভক্ষণের অনুষ্ঠানে মহিলামহলের মন্ত্রোচ্চারণের সময় চোখ বন্ধ করে নিষ্ঠা ভরে নিজেও মন্ত্র জপ করেছেন হবু মা সামান্থা। স্বামী রাজও এই বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। গণেশ চতুর্থীর দিন আনন্দঘন মুহূর্তের ছবি শেয়ার করতেই ভালোবাসায় ভাসছেন হবু মা। ভারতীয় সংস্কৃতি ও পারিবারিক ঐতিহ্যের ছোঁয়ার বিশেষ প্রশংসা করেছে অনুরাগীমহল।