Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Saudi Arabia

সংকটে পাশে নেই ‘প্রতারক পাকিস্তান’, হাউথির বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইজরায়েলের দ্বারস্থ সৌদি!

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী সৌদি আরবে হামলা হলে সামরিক সাহায্য দেওয়ার কথা পাকিস্তানের। কিন্ত বিশ্বাসঘাতকতা করেছে ইসলামাবাদ। ইয়েমেনে সাম্প্রতিক হাউথি হামলার পরে পাকিস্তানের টিকি খুঁজে পাওয়া যায়নি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ২১:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ২১:৪৯

options
link
সংকটে পাশে নেই ‘প্রতারক পাকিস্তান’, হাউথির বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইজরায়েলের দ্বারস্থ সৌদি! zoom
সংকটের সময় 'বন্ধু'কে একা ফেলে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে পাকিস্তান।
Advertisement

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী সৌদি আরবে হামলা হলে সামরিক সাহায্য দেওয়ার কথা পাকিস্তানের। কিন্ত বিশ্বাসঘাতকতা করেছে ইসলামাবাদ। ইয়েমেনে সাম্প্রতিক হাউথি হামলার পরে পাকিস্তানের টিকি খুঁজে পাওয়া যায়নি। বরং সংকটের সময় ‘বন্ধু’কে একা ফেলে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে। এই অবস্থায় ইজরায়েলের দ্বারস্থ হল মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সমৃদ্ধ দেশটি। উল্লেখ্য, ইজরায়েল সেই দেশ যাকে এখনও পর্যন্ত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতিই দেয়নি সৌদি আরব।

ইজরায়েলের দৈনিক ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান সমর্থিত হাউথি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ফৌজের সাহায্য চেয়েছে সৌদি। বিষয়টিতে মধ্যস্থতা করছে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। ইজরায়েল হায়োম পত্রিকা পৃথকভাবে জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সালমান হাউথির বিরুদ্ধে অভিযানে মিশর-সহ বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় রাষ্ট্রের কাছেও সাহায্য় চেয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই মুহূর্তে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হাউথি বাহিনী এবং সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। হাউথিরা লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ‘মোখা’ এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালীর নিকটবর্তী একটি দ্বীপ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এর ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ-চলাচল পথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিয়াধের দাবি, বেছে বেছে সৌদির পণ্যবাহী জাহাজগুলিতে হামলা করা হচ্ছে। একই পথে মার্কিন জাহাজগুলিকে ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে সংকট বাড়ছে সৌদি আরবের।

এমন সময় ‘বন্ধু’ পাকিস্তানের সাহায্য না পেয়ে হতাশ মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক অঙ্গিকারবদ্ধ হয়, কোনও একটি দেশের উপর হামলা হলে বাকিদের উপরেও হামলা বিবেচনা করা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অথচ বাস্তবে হাউথি হামলার পর ইসলামাবাদ বিবৃতি দেয়, সৌদি আরবের সঙ্গে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির অর্থ এই নয় যে হাউথিদের বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাকিস্তানকে সামরিক পদক্ষেপ করতে হবে। এই ঘটনায় ফের বিশ্বমঞ্চে বেআব্রু পাকিস্তানের ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানী’ কূটনীতি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.