২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেই এক দেশ-এক ভোট চালু করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। সেটা যদি নাও হয়, তাতেও আড়াই বছর বাদে লোকসভা নির্বাচনে এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়তে চলেছে বুথসংখ্যা। এক আরটিআইয়ের জবাবে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুধু বুথের সংখ্যা বাড়াই নয়, সেই সঙ্গে অনেকটা বাড়ছে ভোট পরিচালনার খরচও।
এক আরটিআইয়ের জবাবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দেশে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা একলাফে অনেকটাই বাড়তে পারে। লোকসভা নির্বাচনের সময় সংখ্যাটা প্রায় ১৫.৩৮ লক্ষ পোলিং স্টেশন বা ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থাকতে পারে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যাটা ছিল ১০.৫২ লক্ষ। অর্থাৎ পাঁচ বছরের ব্যবধানে তুলনায় প্রায় ৪৬ শতাংশ বেশি। মূলত ভোটারদের ঝক্কি কমাতেই বুথসংখ্যা বাড়াচ্ছে কমিশন।
আরও পড়ুন:
কিন্তু বুথসংখ্যা বাড়াতে গিয়ে ভোট পরিচালনার খরচও অনেকটা বাড়বে। কারণ, অতিরিক্ত বুথে ভোট নিতে গেলে লাগবে বাড়তি নিরাপত্তারক্ষী। প্রয়োজন বাড়তি ইভিএম ইউনিট। আরটিআইয়ের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী লোকসভা ভোটের আগে নতুন ইভিএম কিনতে এবং ভিভিপ্যাট কিনতে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকা খরচ হবে। বর্তমানে কমিশনের হাতে মজুত রয়েছে প্রায় ৩০.৪৮ লক্ষ ব্যালট ইউনিট, এবং ২১.৯২ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট। ২০১৯ লোকসভার সময় ইভিএমের সংখ্যাটা ছিল অর্ধেক। তবে ২০২৯ সালের ভোটের আগে মোট ৩.৫৭ লক্ষ ব্যালট ইউনিট এবং ১.২৫ লক্ষ কন্ট্রোল ইউনিট কেনার পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
তবে ওই নতুন ইভিএমগুলি আগের ইভিএমের পরিবর্ত হিসাবে কেনা হবে নাকি পুরনো ইভিএম ‘অবসরে’ যাবে, সেটা স্পষ্ট নয়। নিয়ম অনুযায়ী একটি ইভিএম ইউনিট ৩টি নির্বাচন চক্র পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকতে পারে। শোনা যাচ্ছে, বেশ কিছু মেশিন এবার ‘রিটায়ার’ করতে চলেছে। সে কারণেই নয়া ইভিএম কেনা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বেনজির উদ্যোগ রাজ্যের, শিয়ালের কামড়ে মৃতের পরিবারকেও আর্থিক সাহায্য ও চাকরি ঘোষণা
-
অন্ধকারে ডুবছে বাংলাদেশ! বিপদে সহায় সেই ভারত, পাইপ লাইনে যাচ্ছে টন টন ডিজেল
-
ভারতের সঙ্গে মুক্তিবাণিজ্য চুক্তিতে অনুমোদন নিউজিল্যান্ড সংসদের, কতটা লাভবান হবে দেশ?
-
দলে ভিনি-রাফিনহার মতো তারকা, নামানো যাবে মাঠে? যুবভারতী নিয়ে ব্রাজিলের চূড়ান্ত রিপোর্ট
-
পুজোর আগে চুলের জেল্লা ফেরাতে ডিম থেরাপি! আঁশটে গন্ধ দূর হবে ৫ ঘরোয়া টোটকায়