গত কয়েকদিন ধরেই চর্চায় ফুটপাথে দুধ গরম কাণ্ড। সোমবার ফেসবুক লাইভে অসহায় পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও কর্মীর বাড়িতে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করে দেবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি। এপ্রসঙ্গে পালটা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকের মাঝে এ প্রসঙ্গ উঠতেই শুভেন্দুর প্রশ্ন, “উনি নিজের বাড়িতে রাখছেন না কেন?” বললেন, “কথা কম বলুন, অনেক বয়স হয়েছে।”
আরও পড়ুন:
শুভেন্দু বলেন, “উনি নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখছেন না কেন? হালিশহরে ওনার কর্মীর বাড়িতে ওনাকেই ঢুকতে দেয়নি। আমার সঙ্গে তো মৃতের পরিবার কথা বলেছে। অর্থ সাহায্য নিয়েছে। চাকরির কথা বলেছি, প্রয়োজনীয় নথিও দিয়েছেন।”
বিষয়টা ঠিক কী? দিন কয়েক আগে পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাথে নাতির জন্য দুধ গরম করছিলেন বৃদ্ধা। যেকোনও মুহূর্তে বিপদ ঘটে যাওয়ার আশঙ্কায় তাঁকে সেই কাজে বাধা দেন অগ্নিমিত্রা পাল। তড়িঘড়ি দুধ গরম বন্ধ করার নির্দেশ দেন। প্রশ্ন করেন, তাঁর বাড়ি কোথায়। এই ঘটনার পরই ওই মহিলা অসহায় কণ্ঠে বলেন, “বাড়ি থাকলে কী আর কেউ ইচ্ছে করে রাস্তায় থাকে!” মহিলার দাবি, ৫০ বছর ধরে পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাথই তাঁর ঠিকানা। ওই মহিলার পরিস্থিতি দেখে অনেকেই অগ্নিমিত্রা পালের মানবিকতা বোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পালটা ভিডিও বার্তায় সোমবার অগ্নিমিত্রা বলেন, “কোনও বাচ্চার মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি। সরে যেতে বলা হয়েছে। অনাবশ্যক সমালোচনার কোনও কারণ নেই। হ্যাঁ, আমার হয়তো বুঝিয়ে বলা উচিৎ ছিল।”
সোমবার ফেসবুক লাইভে সেই ইস্যুতেই একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “একটা ছোট্ট দুধের শিশুর খাবার তৈরি করছিল, দরিদ্রকে ঘৃণা করবেন না দয়া করে। যে মা রাস্তার উপর বাচ্চার জন্য দুধ ফোটাচ্ছে, সে অসহায়। দুধটা ফেলে দিতে খারাপ লাগল না? মনে রাখবেন মায়ের অভিশাপ, বড় অভিশাপ।” এরপরই মমতা বলেন, “আমি এই পরিবারটার দায়িত্ব নিতে তৈরি। ওনারা রাজি থাকলে আমি কোনও কর্মীর বাড়িতে ওদের থাকার ব্যবস্থা করে দেব। বাচ্চার পড়াশোনার দায়িত্বও নেব।” এই ইস্যুতেই মমতাকে একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “উনি নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখছেন না কেন? হালিশহরে ওনার কর্মীর বাড়িতে ওনাকেই ঢুকতে দেয়নি। আমার সঙ্গে তো মৃতের পরিবার কথা বলেছে। অর্থ সাহায্য নিয়েছে। চাকরির কথা বলেছি, প্রয়োজনীয় নথিও দিয়েছেন।” শুভেন্দুর কথায়, “কর্মীরাই ওনাকে ভরসা করে না। এসব বলে কী লাভ!”
সর্বশেষ খবর
-
বাবা পরিযায়ী শ্রমিক, বহু কষ্টে পড়াশোনা, নিটে সফল আতাউলের স্বপ্ন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হওয়া
-
ফি বৃদ্ধি, হয় না ক্লাস! পাক বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলকালাম, পড়ুয়াদের বিক্ষোভের মাঝেই গুলি সেনা আধিকারিকের
-
লক্ষ্য পাহাড়ের উন্নয়ন, এবার কলকাতায় শমীকের সঙ্গে বৈঠকে গোর্খা নেতা গুরুং
-
প্রদেশ কংগ্রেসে আরও কোনঠাসা অধীর! বাতিল রবিবারের যোগদান, তৃণমূলীদের নিয়ে আপত্তি এআইসিসির
-
সেপ্টেম্বরেই ভারতে পুতিন! মস্কোয় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্টকে মোদির বার্তা পৌঁছে দিলেন জয়শংকর