SIR

‘SIR-এ মৃত’ ৬১ জনের পরিবারকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি, সোমে নিয়োগপত্র দেবেন মুখ্যমন্ত্রী

এসআইআরের কাজ চলাকালীন চাপ, আতঙ্ক-সহ বিভিন্ন কারণে রাজ্যে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সাধারণ মানুষ ছাড়াও প্রাণ হারিয়েছেন এই কাজে যুক্ত বিএলও-রাও। এই পরিস্থিতির জন্য বারবারই নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভায় চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ৬১ জনের পরিবারকে দেওয়া হবে চাকরি।

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৯:২০

options
link
‘SIR-এ মৃত’ ৬১ জনের পরিবারকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি, সোমে নিয়োগপত্র দেবেন মুখ্যমন্ত্রী
গ্রাফিক্স ছবি

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার মৃতদের পরিবারের এক সদস্যকে সরকারি চাকরি। মৃতদের পরিবারের এক সদস্যকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি। সোমবার নবান্নে ৬১ জনের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

কোন জেলায় কতজন চাকরি পাচ্ছেন, সেই তালিকাও বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ্যে এনেছে নবান্ন। জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া-১, বাঁকুড়া -১, নদিয়া -৩, পূর্ব মেদিনীপুর ৪, পশ্চিম মেদিনীপুর ৪, পূর্ব বর্ধমান ৫, হাওড়া ৩, মুর্শিদাবাদ ১১, উত্তর ২৪ পরগনা ২, কলকাতা ১, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৫, বীরভূম ৪, কোচবিহার ৩, উত্তর দিনাজপুর ৩, মালদহ ৫, দক্ষিণ দিনাজপুর ১ ও জলপাইগুড়ি থেকে ৫ জন চাকরি পাচ্ছেন।

Advertisement

এসআইআর আতঙ্কে রাজ্যে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল আগরপাড়ায়। এরপর টিটাগড়, নোয়াপাড়া, দত্তপুকুর, দেগঙ্গা, নৈহাটি, আমডাঙা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ অশোকনগরে একাধিক মৃত্যুর ঘটনায় এসআইআর আতঙ্কের অভিযোগ উঠেছে। নাগরিকত্ব-সহ ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়ার আতঙ্ক, মানসিক চাপে মৃত্যু বলেই অভিযোগ তুলেছিল সকল মৃতের পরিবার।

Advertisement

এসআইআর আতঙ্কে প্রথম আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর। পানিহাটি পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আগরপাড়া মহাজাতিনগরে বাসিন্দা বছর ৭৭-এর প্রদীপ করের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর ঘর থেকে। খড়দহ থানার পুলিশ দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার সঙ্গে সুইসাইড নোট উদ্ধার করে। তাতে ‘আমার মৃত্যুর জন্য এনআরসি দায়ী’ লেখা থাকার ঘটনা জানাজানি হতেই পরিবারের দাবি করে, সদ্য ঘোষিত এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি গভীর দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন। এই রমক একের পর এক মৃত্যুর খবর আসতে থাকে।

সাধারণ মানুষ ছাড়াও প্রাণ হারিয়েছেন এই কাজে যুক্ত বিএলও-রাও। এই পরিস্থিতির জন্য বারবারই নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। কমিশনের অপরিকল্পিত কাজ, অতিরিক্ত চাপের কারণই এর নেপথ্যে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রথম দিন থেকেই মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার ও শাসকদল। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভায় চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ৬১ জনের পরিবারকে দেওয়া হবে চাকরি। বাড়ির একমাত্র রোজগেরে সদস্যকে হারিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছেন সদস্যরা। এবার সেই পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াচ্ছে রাজ্য সরকার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.