সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনকয়েক ধরেই চলছে তরজা। ইতিমধ্যেই শতরূপ ঘোষ, বিমান বসু ও মহম্মদ সেলিমকে আইনি চিঠি পাঠিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। এবার সিপিএমের তিন নেতার বিরুদ্ধে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের দায়ের করা মামলা গ্রহণ করল আদালত। মামলা বিচারযোগ্য বলে জানান বিচারক।
কলকাতা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে মামলা দায়ের করেন কুণাল ঘোষের আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী। হুইল চেয়ারে বসে আদালতে পৌঁছন কুণাল। মামলার কথা উল্লেখ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক। মামলা বিচারযোগ্য বলেই জানান বিচারক।
মামলা আদালতে গৃহীত হওয়ায় শতরূপ ঘোষ, মহম্মদ সেলিম এবং বিমান বসুরা যে বিপাকে পড়েছেন, তা বেশ স্পষ্ট। তবে কুণাল ঘোষের মামলা প্রসঙ্গে শতরূপ বলেন, “আদালতে দেখা হবে।”
[আরও পড়ুন: শুভেচ্ছা বা অভিনন্দন নয়, বলুন শুভনন্দন! নতুন শব্দ শেখালেন মুখ্যমন্ত্রী]
উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে বাম নেতা শতরূপ ঘোষের গাড়ি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। প্রশ্ন তুলেছিলেন, ২০২১ সালে নির্বাচনী হলফনামায় যেখানে মাত্র ২ লক্ষ টাকা সম্পত্তি দেখিয়েছিলেন শতরূপ। সেখানে ২০২৩ সালে কীভাবে ২২ লাখি গাড়ির মালিক হলেন? জবাবও দেন শতরূপ। গাড়ির রহস্যভেদ করতে বেশ কিছু নথি দেখান। দাবি করেন, গাড়িটি তাঁর বাবা শিবনাথ ঘোষের টাকায় কেনা। এরপরই কুণাল ঘোষকে আপত্তিকর ভাষায় আক্রমণ করেন শতরূপ। বলেন, “আমার বাবা আছে। সবার বাবা থাকে। তাঁরা গিফটও দেন। আশা করি কুণালবাবুরও ছিলেন, যদি না উনি টেস্ট টিউব বেবি হয়ে থাকেন।” এই মন্তব্যের জেরে কুণাল ঘোষের আইনজীবী আইনি নোটিস পাঠান শতরূপ ঘোষ, বিমান বসু, মহম্মদ সেলিমদের। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সকলকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি করা হয়। আইনি নোটিসের কিছুক্ষণের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় টেস্টটিউব বেবি মন্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন শতরূপ।
[আরও পড়ুন: ইডেনে কেকেআরের ম্যাচ দেখে বাড়ি ফেরা নিয়ে চিন্তা? মুশকিল আসান করল মেট্রো]
সর্বশেষ খবর
-
ডিএমকের সঙ্গ ছাড়ল আরও এক জোটসঙ্গী, ‘নিঃসঙ্গ’ স্ট্যালিন কি এবার বিজেপির সঙ্গী?
-
যুদ্ধের রক্তচক্ষু-রাজনীতিতে বারবার প্রভাবিত বিশ্বকাপ! তবু জিতে গিয়েছে ফুটবল
-
পালিয়েও বাঁচলেন না, বাড়ি ফিরতেই তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা মহিলাদের! ভাইরাল ভিডিও
-
এবার সিনেপর্দায় জুবিনের স্মৃতিচারণ, জীবনীচিত্রতে অভিনয়ে টলিপাড়ার কোন কোন বাঙালি?
-
অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ? বিভ্রান্তি দূর করলেন শমীক ভট্টাচার্য