Lake Town

আবাসনের নিচ থেকে উদ্ধার ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ, পুলিশের হাতে এল ৩ পাতার সুইসাইড নোট

'কষ্ট সহ্য করতে পারছি না, বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিলাম', লেখা তার সুইসাইড নোটে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২১, ১৬:৪৩

options
link
আবাসনের নিচ থেকে উদ্ধার ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ, পুলিশের হাতে এল ৩ পাতার সুইসাইড নোট
ছবি: প্রতীকী

কলহার মুখোপাধ্যায়, বিধাননগর: বাঙ্গুরে ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য। আবাসনের নিচে মৃতদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন বাসিন্দারা। পাশে দেখা যায় চাপ চাপ রক্ত। উদ্ধার হয়েছে নতুন খাতা-পেনে লেখা ৩ পাতার সুইসাইড নোট। তদন্তে নেমে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করছে লেকটডাউন (Lake Town) থানার পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গোটা বিষয়টির কিনারা করতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, লেকটাউনের এসকে দেব রোডের বাসিন্দা বছর আঠেরোর ওই ছাত্রী রবিবার রাতে দোকানে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরয়। পেন এবং ম্যাগি কিনে ফিরবে বলে জানায়। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও ফেরেনি সে। ইতিমধ্যে আত্মঘাতী হতে চলেছে, এরকম বার্তা দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাস দেয় সে। তা দেখে ছাত্রীর এক বন্ধু তার বাড়িতে ফোন করে জানতে চায় যে সে কোথায়। এই ফোন পেয়েই পরিবারের লোকজন লেকটাউন থানায় যোগাযোগ করেন। কিছুক্ষণ পর লেকটাউন থানার পুলিশের কাছে খবর পৌঁছয়, বাঙ্গুর এলাকায় ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়েছে এক তরুণী। দেহ কাঁপছে অর্থাৎ প্রাণ রয়েছে শরীরে। বাঙ্গুরের এ ব্লকের ১৩১ নং আবাসনের নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: শহরে ফের অগ্নিকাণ্ড, নারকেলডাঙায় বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত বহু ঝুপড়ি]

মৃত জয়পুরিয়া কলেজের ছাত্রী বলে জানা গিয়েছে। দোকানে যাওয়ার নাম করে সে কী কারণে বাঙ্গুর এলাকায় গিয়েছিল, তা নিয়ে সংশয় ঘনিয়েছে। সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছে লেকটাউন থানার পুলিশ। যে জায়গা থেকে সে ঝাঁপ দিয়েছিল, সেই আবাসনের ছাদ থেকে সুইসাইড নোট-সহ একাধিক জিনিস উদ্ধার হয়েছে। সেসব খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃত ছাত্রীর দাদা রাহুল পোদ্দার জানিয়েছেন, ”ও বাড়ির সবচেয়ে ছোট মেয়ে। আমরা খুব ভালবাসতাম ওকে, তাই আত্মহত্যাটা মেনে নিতে পারছি না।”

[আরও পড়ুন: ক্রমশ আতঙ্ক বাড়াচ্ছে বার্ড ফ্লু, হাঁস-মুরগির গোডাউনে নজর কলকাতা পুরসভার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.