দিলীপ ঘোষ

নিয়মিত অধিবেশনে থাকতে হবে অন্য দল থেকে আসা বিধায়কদের, স্পষ্ট বার্তা দিলীপের

দলত্যাগ বিরোধী আইনে ৫ বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের আবেদন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৯, ১১:০৭

options
link
নিয়মিত অধিবেশনে থাকতে হবে অন্য দল থেকে আসা বিধায়কদের, স্পষ্ট বার্তা দিলীপের

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: অন্য দল থেকে গেরুয়া শিবিরে আসা বিধায়কদের আসন্ন বিধানসভার অধিবেশনে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে হবে। এমনই বার্তা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। বর্তমানে পদ্ম প্রতীকে জেতা বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা ৬। বাকি ৮ জন অন্য রাজনৈতিক দল থেকে পদ্ম শিবিরে যোগদান করেছেন। অভিযোগ, দু-একজন ছাড়া অন্য দল থেকে বিজেপিতে আসা বিধায়কদের অধিকাংশই গত বিধানসভার অধিবেশনে অনুপস্থিত ছিলেন। দলের পরিষদীয় বৈঠকেও তাঁদের সকলকে দেখা যেত না। দলীয় সূত্রে খবর, দলবদলু বিধায়কদেরও আসন্ন অধিবেশনে নিয়মিত উপস্থিত থাকার বিষয়টি বাধ্যতামূলক বলে জানিয়ে দিয়েছেন দিলীপবাবু।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে বাধা, চায়না টাউনে স্ত্রী-বাবাকে খুন ছেলের ]

Advertisement

এদিকে, যে পাঁচজন বিধায়ক লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, সেই সমস্ত বিধায়কের সদস্যপদ খারিজ হয়ে যেতে পারে। মাসখানেক আগেই এই বিষয়ে তৃণমূল পরিষদীয় দলের ডেপুটি লিডার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিধানসভার স্পিকারের কাছে দলত্যাগ বিরোধী আইনে এই পাঁচজনের সদস্যপদ খারিজের আবেদন করেছেন। চিঠি হাতে পেয়েই স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও এক মাস সময় দিয়ে ওই পাঁচজনকে নোটিস করেছেন। জানতে চেয়েছেন, পার্থবাবুর অভিযোগ মেনে তাঁদের দলবদলের সত্যতা নিয়েও। অধিবেশন শুরুর দিনে ২৬ আগস্ট স্পিকারের ধার্য করা সময়সীমা শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, তাদের বিজেপি বিধায়ক হিসাবে আগে স্বীকার করে নিক। তারপর আইনের নোটিস দেবে। বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের একই বেঞ্চে বসার ব্যবস্থা না হওয়াতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্য সভাপতি। এ বিষয়ে স্পিকারের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান দিলীপবাবু।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের ছন্দে-কথায় কাব্য সৃজন, সুদিনের স্বপ্নের ঝলক মুখ্যমন্ত্রীর লেখনীতে]

এদিকে, শুক্রবার মহল্লায় মহল্লায় জন্মাষ্টমী উৎসবে শামিল হন বিজেপি নেতারা। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে এদিন একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন দিলীপ ঘোষও। সকালে কামারহাটিতে জন্মাষ্টমীর এক অনুষ্ঠানে গিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণের নিশানা করেন তিনি। বলেন, বাংলায় গণতন্ত্র সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত। এখানে গণতন্ত্রকে সমাধি দেওয়া হয়েছে। রাতে পাটুলির রবীন্দ্রপল্লিতে জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে উৎসবের উদ্বোধন করেন দিলীপবাবু। তিনদিন ধরে জন্মাষ্টমী পালন করছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সারা রাজ্যজুড়েই শোভাযাত্রা বের করেছে তারা। হাওড়ার শোভাযাত্রায় ছিলেন ভিএইচপির অখিল ভারতীয় সহ-সম্পাদক শচীন্দ্রনাথ সিংহ। অন্যদিকে, শ্যামবাজার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কার্যালয় থেকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে এক বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়। সেখানে ছিলেন সংগঠনের মিডিয়া ইনচার্জ সৌরিশ মুখোপাধ্যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.