Jadavpur University

‘দেশবিরোধী স্লোগান উঠলেই সার্জিকাল স্ট্রাইক…’, যাদবপুর কাণ্ডে হুঙ্কার দিলীপের

এবিভিপি ও বাম ছাত্র সংগঠনের অশান্তিতে বুধবার রাত থেকে উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১০:২৫

options
link
‘দেশবিরোধী স্লোগান উঠলেই সার্জিকাল স্ট্রাইক…’, যাদবপুর কাণ্ডে হুঙ্কার দিলীপের
'দেশবিরোধী স্লোগান উঠলেই সার্জিকাল স্ট্রাইক...', যাদবপুর কাণ্ডে হুঙ্কার দিলীপের

যাদবপুর কাণ্ডে বৃহস্পতিবার যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় হুঙ্কার দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, দেশবিরোধী স্লোগান বরদাস্ত করা হবে না। এবার সার্জিকাল স্ট্রাইকের হুঁশিয়ারি দিলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বললেন, “দেশবিরোধী স্লোগান উঠলেই সার্জিকাল স্ট্রাইক হবে।”

Advertisement

দিলীপ বলেন, “আমি ইন্দোরে গিয়েছিলাম। তাই কী হয়েছে ঠিক জানি না। তবে দেশবিরোধী কাজ চলতে দেওয়া যাবে না। টিএমসি আসলে এই দেশবিরোধীদের পুষে রেখেছিল। আগেও এবিভিপি সার্জিকাল স্ট্রাইক করেছে। দেশবিরোধী স্লোগান উঠলে আবার যাদবপুরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে।”

গত বুধবার রাতে জিবি মিটিংকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে ঐতিহ্যবাহী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। অভিযোগ, অরবিন্দ ভবনে বৈঠক চলাকালীন আচমকা ডানপন্থী ছাত্র সংগঠন এবিভিপি-র জনা কয়েক সদস্য সেখানে ঢুকে হামলা চালায়। প্রশ্ন তোলা হয়, যেখানে ছাত্র সংগঠনই আর নেই, সেখানে কীসের জিবি বৈঠক? প্রশ্ন শুনে খেপে ওঠেন ফেটসুর সদস্যরা। পালটা অভিযোগ, তাঁরা এবিভিপি সদস্যদের মারধর করে। আক্রান্তরা ভর্তি হন পাশের হাসপাতালে। এই অশান্তি ঘিরে বৃহস্পতিবার সকালেই কর্মসূচির ডাক দেয় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই। পালটা মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করে এবিভিপি। দুপুরে দু’পক্ষের জমায়েত ও মিছিল কেন্দ্র করেই উত্তাল হয়ে ওঠে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। 

Advertisement
পুলিশের ব্যারিকেডে ভেঙে তার উপরে এবিভিপি সদস্য, ছবি: অরিজিৎ সাহা

শুক্রবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে এবিষয়েই মুখ খুললেন দাবাং দিলীপ। তিনি বলেন, “আমি ইন্দোরে গিয়েছিলাম। তাই কী হয়েছে ঠিক জানি না। তবে দেশবিরোধী কাজ চলতে দেওয়া যাবে না। টিএমসি আসলে এই দেশবিরোধীদের পুষে রেখেছিল। আগেও এবিভিপি সার্জিকাল স্ট্রাইক করেছে। দেশবিরোধী স্লোগান উঠলে আবার যাদবপুরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে।” দিলীপ বললেন, “৬ মাস অপেক্ষা করুন, অনেক কিছু হবে।” বৃহস্পতিবার কার্যত একই কথা শোনা গিয়েছিল শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের গলায়। তিনি বলেছিলেন, “যাদবপুর রাষ্ট্রবিরোধী মেশিনারি তৈরির…। বারবার দেশবিরোধী স্লোগান, দেশবিরোধী আন্দোলন আমরা করতে দেব না। রাষ্ট্রবিরোধী কথা বলা যাবে না। আমরা প্রথমে দেশের নাগরিক, তাই দেশের হয়ে কথা বলতে হবে। ইনশাআল্লা, আজাদি বলা যাবে না।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.