Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Cooch Behar

ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়! শীতলকুচিতে গ্রেপ্তার বিজেপি নেতা

স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বিজেপির অন্দরে।

বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১২:৪৪

link
বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১২:৪৪

options
link
ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়! শীতলকুচিতে গ্রেপ্তার বিজেপি নেতা zoom
ধৃত বিজেপি নেতা পঙ্কজ সাহা
Advertisement

এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে দু’লক্ষ টাকা মুক্তিপণ নেওয়ার অভিযোগে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে শীতলকুচি থানার পুলিশ। ধৃত বিজেপি নেতার নাম পঙ্কজ সাহা। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য। অভিযোগ, স্বাধীনতা দিবসের শীতলকুচির বামনপাড়া এলাকার এক ব্যবসায়ী গোসাইহাটে ধান কেনার জন্য গিয়েছিলেন । বিকেলে বাড়ি ফেরার আগে তাঁকে ফোন করে ডেকে নিয়ে অপহরণ করা হয়। পরে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মুক্তিপণ হিসেবে দু’ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। এই ঘটনায় শীতলকুচি থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর পুলিশ পঙ্কজকে গ্রেপ্তার করেছে। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বিজেপির অন্দরে।

কোচবিহার জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ বর্মন জানিয়েছেন, কেউ অন্যায় করলে তাকে শাস্তি পেতে হবে। বিজেপির পরিষ্কার নির্দেশ রয়েছে, কোন ধরনের অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। যদি তার বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণিত হয় তাহলে দলগতভাবেও উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই ঘটনায় গত সোমবার শীতলকুচি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন শীতলকুচি ব্লকের বামনপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী সইজার মিয়া। তিনি জানিয়েছেন, ১৫ আগস্ট তার ছেলে ইসলাম মিঞা ধান কেনার জন্য সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। সন্ধ্যা নাগাদ তাকে ফোন করে একটি স্থানে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হঠাৎ ১০-১২ জন এসে তার ছেলেকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে অপহরণ করে নেয়।

Advertisement

পরবর্তীতে ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ হিসেবে দেওয়ার পর তার ছেলেকে ছাড়া হয়। এই বিষয়টি শোনার পরেই তিনি থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। এই ধরনের পরিস্থিতি চলতে পারে না তাই তিনি চাইছেন ঘটনার দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক। বৃহস্পতিবার এই অপহরণের ঘটনার অভিযুক্ত পঙ্কজ সাহাকে মাথাভাঙা মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছিল। আইনজীবী বাবলু বর্মন জানান, অভিযোগকারী ও তার ছেলে অভিযুক্ত পঙ্কজ সাহাকে শনাক্ত করেছে। এদিন বিচারক অভিযুক্তর জামিনের আবেদন খরিজ করে দেন। আগামী ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। বিজেপি জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন অবশ্য বলেন, “আইন আইনের পথেই চলবে।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.