Flight Service

চিনা নববর্ষে কলকাতা-কুনমিং সরাসরি বিমান চালু, আশার কথা শোনাল চিনের দূতাবাস

১৭ ফেব্রুয়ারি চিনাদের নববর্ষের আগে চিনা দূতাবাসের কনসাল জেনারেল শু ওয়েই এক অনুষ্ঠানে এনিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৭:০৮

options
link
চিনা নববর্ষে কলকাতা-কুনমিং সরাসরি বিমান চালু, আশার কথা শোনাল চিনের দূতাবাস
কলকাতা-কুনমিং সরাসরি বিমান পরিষেবা দ্রুত চালু হওয়ার আশা।

চিনের সঙ্গে এ রাজ্যের মধ্যে পর্যটনে জোর দিচ্ছে কলকাতার চিনা দূতাবাস। কলকাতা ও কুনমিংয়ের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর ব্যাপারেও আলোচনা চলেছে বিভিন্ন স্তরে। চিনা নতুন বছর আগতপ্রায়। তার আগেই এই আশার কথা শোনালেন কলকাতার চিনা কনসাল জেনারেল শু ওয়েই।

Advertisement

এবার চিনাদের নতুন বছর ঘোড়ার বছর। সাপের বছরকে বিদায় জানিয়ে ঘোড়ার বছরকে স্বাগত জানাবেন চিনারা। ১৭ ফেব্রুয়ারি চিনাদের নববর্ষের আগেই শহরে একটি অনুষ্ঠানে কলকাতার চিনা দূতাবাসের কনসাল জেনারেল শু ওয়েই বলেন, “আমি চাই আরও চিনা পর্যটক ভারতে আসুন। ভিসার জট অনেকটাই কেটেছে। আমার ইচ্ছা, ভারতে চিনা বাসিন্দাদের পর্যটন বাড়ুক। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে। আমি রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। কীভাবে দু’দেশের পর্যটনকে গুরুত্ব দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। আমরা পর্যটন সংক্রান্ত বিষয়কে আরও প্রচারের আলোয় আনতে চাই। এই ক্ষেত্রে বিশেষ দলকে চিনে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। আবার চিনের পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত, এমন একটি দলকে এখানে আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে। দু’দেশের বাসিন্দাদের মধ্যেই পর্যটনের ব্যাপারে সচেতনতা ও প্রচার করা হবে। এর ফলে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও ভাল হবে।”

Advertisement

দু’দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবার ব্যাপারে চিনা কনসাল জেনারেল শু ওয়েই বলেন, “চিনের সঙ্গে ভারতের বিভিন্ন শহরের আরও সরাসরি বিমান সংযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশেষ করে কলকাতা থেকে কুনমিংয়ের সরাসরি বিমান চলাচলের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই ব্যাপারে বিভিন্ন স্তরে আলোচনাও চলছে।”

দু’দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবার ব্যাপারে চিনা কনসাল জেনারেল বলেন, “চিনের সঙ্গে ভারতের বিভিন্ন শহরের আরও সরাসরি বিমান সংযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশেষ করে কলকাতা থেকে কুনমিংয়ের সরাসরি বিমান চলাচলের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই ব্যাপারে বিভিন্ন স্তরে আলোচনাও চলছে।”

Advertisement

একইসঙ্গে চিন-ভারতের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদানপ্রদানের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শু ওয়েই বলেন, “ভারতীয় বন্ধুরা চিনা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ভারতীয় কিশোর-কিশোরীরা চিনা গান গাইছে। এতে আমি অত্যন্ত খুশি। বইমেলায় চিন এবার স্টল দিয়েছিল। বইমেলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা খুব তাড়াতাড়ি আমাদের সঙ্গে বৈঠক করতে চায়। চিনা বই ও প্রকাশনী যাতে জনপ্রিয় হয়, সেই প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে চিনা সংস্কৃতিকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার জন্য ওয়ার্কশপ ও সেমিনারেরও আয়োজন করা হবে। চিনা খাদ্য উৎসব ও ফিল্ম উৎসব আয়োজন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.