Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
রাজ্য বাজেট ২০২৬
Mamata Banerjee on Suvendu Adhikari

বাঙালিদের যখন ভিনরাজ্যে নিগ্রহ করা হয়, তখন কেন চুপ থাকেন? শুভেন্দুকে বিঁধলেন মমতা

বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণের উপর বক্তৃতায় বাদানুবাদে জড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা তাঁর বক্তৃতায় অনুপ্রবেশের কথা তোলায় তাঁকে পালটা আক্রমণ শানিয়ে ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের উপর নিগ্রহের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
তরুণকান্তি দাস
তরুণকান্তি দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৫:৩৩

link
তরুণকান্তি দাস
তরুণকান্তি দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৫:৩৩

options
link
বাঙালিদের যখন ভিনরাজ্যে নিগ্রহ করা হয়, তখন কেন চুপ থাকেন? শুভেন্দুকে বিঁধলেন মমতা zoom
শুভেন্দু অধিকারী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাজেট (WB Budget) অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণের উপর বক্তৃতায় বাদানুবাদে জড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা তাঁর বক্তৃতায় অনুপ্রবেশের কথা তোলায় তাঁকে পালটা আক্রমণ শানিয়ে ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের উপর নিগ্রহের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধী দলনেতার উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, বাইরের রাজ্যে যখন বাঙালিদের নিগ্রহ করা হয়, তখন কেন শুভেন্দুরা নীরব থাকেন?

বৃহস্পতিবার মমতার তৃতীয় দফার সরকারের শেষ বাজেট (WB Budget)। দস্তুর মেনে অধিবেশনের শুরুতেই সূচনা বক্তৃতা করে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপালের সেই ভাষণের আগে থেকেই শাসক এবং বিরোধী শিবিরের স্লোগান এবং পালটা স্লোগানে উত্তাপ ছড়িয়েছিল বিধানসভায়। পরে রাজ্যপালের ভাষণের উপর ধন্যবাদজ্ঞাপন বক্তৃতাতেও তা বজায় থাকে। শুভেন্দু নিজের বক্তৃতায় বলেন, “বিধানসভায় বক্তৃতার সময়ে রাজ‍্যপাল পুরো ভাষণ পাঠ করেননি। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের জায়গায় উনি আটকে যান। কারণ, কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে লেখা বক্তৃতা পড়তে চাননি। তাই মাত্র সাড়ে চার মিনিটে তিনি বক্তৃতা শেষ করেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুভেন্দু নিজের বক্তৃতায় বলেন, “বিধানসভায় বক্তৃতার সময়ে রাজ‍্যপাল পুরো ভাষণ পাঠ করেননি। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের জায়গায় উনি আটকে যান। কারণ, কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে লেখা বক্তৃতা পড়তে চাননি। তাই মাত্র সাড়ে চার মিনিটে তিনি বক্তৃতা শেষ করেন।”

অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্য সরকারকে খোঁচা দেন শুভেন্দু। বলেন, “অনুপ্রবেশ সমস্যায় ডেমোগ্রাফি বদল হচ্ছে। ৮ বার স্বরাষ্ট্রসচিব চিঠি দিয়েছেন সীমান্তে বেড়া দিতে জমি চেয়ে। কাঁটাতার দেওয়া যায়নি জমি সমস্যার কারণে। বিরোধী দলের সাংসদ বিধায়করা আক্রান্ত হচ্ছেন। বিরোধী দলকে কর্মসূচি করতে আদালতে যেতে হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী নেত্রী ছিলেন। তিনি কতবার আদালতে গিয়েছেন? আমি তাঁর সঙ্গে ২১ বছর ছিলাম। তাই জানি।”

পরে রাজ্যপালের ভাষণের উপর ধন্যবাদজ্ঞাপন বক্তৃতা করতে উঠে মুখ্যমন্ত্রী পালটা জবাব দেন শুভেন্দুকে। তিনি বলেন, “শুধু অনুপ্রবেশকারী কথাটাই বিরোধীদের মাথায় ঢুকেছে। আর কিছু নেই মাথায়। অন্য রাজ্যে কেন বাঙালিদের টার্গেট করা হচ্ছে? মারধর, নিগ্রহ, খুন চলছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ওড়িশা, রাজস্থান, গুজরাট, সর্বত্রই এই অত্যাচার চলছে।” মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, “যখন বাঙালিদের নিগ্রহ করা হয়, তখন কোথায় থাকেন আপনারা? কেন বিরোধিতা করেন না? সরকারি উদ্যোগের পক্ষে একটাও কথা কেন বলেন না?”

মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, “আগে বাইরে থেকে কেউ এলে রেল, এভিয়েশন (অসামরিক বিমান পরিবহণ কর্তৃপক্ষ), বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই তথ্য শেয়ার করত রাজ্যকে। কিন্তু গত কয়েক বছর কেন করা হয় না? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বারবার বলার পরেও কথা শোনা হচ্ছে না। আর সীমান্তে জমির কথা বলছেন? অনেক প্রকল্পে অনেক জমি দিয়েছি। তার কী কাজ হয়েছে, সেটা বলুন। বিএসএফ-কেও তো আগে জমি দিয়েছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.