Enforcement Directorate

জমি দখলে ইডির রাডারে শান্তনু ঘনিষ্ঠ একাধিক পুলিশকর্তা, তলব সোনা পাপ্পুর পরিবারের সদস্যদের

বেআইনিভাবে জমি দখল-সহ একাধিক অভিযোগে তদন্ত চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মামলার তদন্তে বালিগঞ্জ এলাকার 'ত্রাস' সোনা পাপ্পুর নাম সামনে আসে।

Advertisement ad
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১৫:০৪

options
link
জমি দখলে ইডির রাডারে শান্তনু ঘনিষ্ঠ একাধিক পুলিশকর্তা, তলব সোনা পাপ্পুর পরিবারের সদস্যদের zoom
ফাইল ছবি।

বেআইনিভাবে জমি দখল-সহ একাধিক অভিযোগে আগেই ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার রাডারে প্রাক্তন পুলিশকর্তার ঘনিষ্ঠরা। জানা গিয়েছে, শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ঘনিষ্ঠ তিন পুলিশ কর্তাকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ডাকা হয়েছে কলকাতা পুলিশের কর্মরত নরুল আমিনকেও। সেই মতো আজ, বুধবার তিনি ইডি দপ্তরে হাজিরা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে এই মামলাতেই ধৃত সোনা পাপ্পুর পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যকেও ইডি তলব করেছে বলে জানা যাচ্ছে।

বেআইনিভাবে জমি দখল-সহ একাধিক অভিযোগে তদন্ত চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মামলার তদন্তে বালিগঞ্জ এলাকার ‘ত্রাস’ সোনা পাপ্পুর নাম সামনে আসে। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল ছাড়াও তোলাবাজি-সহ একাধিক ধারায় অভিযোগ রয়েছে। এমনকী অস্ত্র আইন মামলাতেও নাম জড়িয়েছে ধৃত পাপ্পুর। শুধু তাই নয়, গ্রেপ্তার হয়েছেন বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার। তাঁকে জেরা করেই কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নাম সামনে আসে। তাঁর ফার্ন রোডের বাড়িতে তল্লাশিতে চালিয়ে একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা।

এমনকী সোনা পাপ্পু, জয় কামদারকে সুবিধা পাইয়ে দিতে মোটা অঙ্কের টাকা যে প্রাক্তন পুলিশকর্তার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে, সেই সংক্রান্ত তথ্যও ইডির হাতে এসেছে বলে খবর। তদন্তকারীরা মনে করছেন, শুধু শান্তনুই নয়, তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক পুলিশকর্তার কাছেও বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা পৌঁছে গিয়েছে বলে অনুমান তদন্তকারীরা। এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতেই প্রাক্তন পুলিশকর্তার ঘনিষ্ঠ তিন পুলিশকর্তাকে তলব করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে নরুল আমিনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। বেশ কিছু তথ্য উদ্ধার হয়। তাঁকেও এদিন তলব করা হয়েছে বলে খবর।

অন্যদিকে এই মামলায় সোনা পাপ্পুর স্ত্রী এবং পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। ধৃত পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় একটি সেভেন এমএম পিস্তল পায় পুলিশ। তা কেনা হয় সোনা পাপ্পুর স্ত্রীয়ের নামে। আগ্নেয়াস্ত্রটি বিক্রি করেছিল জয়ের সংস্থা। শুধু তাই নয়, সোনা পাপ্পু এবং জয়ের সংস্থার মধ্যে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। কেন ওই টাকা লেনদেন হয়েছিল? বন্দুক কেনারই বা কেন প্রয়োজন ছিল? তা জানতেই পাপ্পুর পরিবারের সদস্যদের জেরা করার প্রয়োজন বলে মনে করছে ইডি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন