বাংলার প্রাক্তন ফুটবলারের রহস্যমৃত্যু, রেললাইনের ধারে মিলল দেহ

খুনের অভিযোগ মৃতের পরিবারের৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০১৮, ১৫:৫৩

options
link
বাংলার প্রাক্তন ফুটবলারের রহস্যমৃত্যু, রেললাইনের ধারে মিলল দেহ

অর্ণব আইচ:  অনূর্ধ্ব ১৬ বাংলা দলের প্রাক্তন ফুটবলারের রহস্যমৃত্যু৷ শুক্রবার রাতে লেকগার্ডেন্স স্টেশন থেকে কিছুটা দূরে রেললাইনের পাশ থেকে ওই যুবকের দেহ উদ্ধার করা হয়৷ খুন নাকি আত্মহত্যা করেছেন রঞ্জিত, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷ ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলেই দাবি প্রাক্তন ফুটবলারের পরিজনদের৷ ঘটনায় উঠে আসছে দুই পূর্বপরিচিতের নাম৷ বালিগঞ্জ জিআরপির কাছে মেমো জমা পড়েছে৷ তদন্ত শুরু করেছে রেলপুলিশ৷

Advertisement

শুক্রবার সন্ধেয় বিশ্বকাপ দেখে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান চারু মার্কেট থানা এলাকার বাসিন্দা রঞ্জিত চট্টোপাধ্যায়৷ বেরিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাক্তন ফুটবলারের বাড়িতে আসেন চার-পাঁচজন যুবক৷ রঞ্জিতের খোঁজ করেন তাঁরা৷ তাঁকে না পেয়ে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে গালিগালাজও করে ওই যুবকেরা৷ রাত দশটা নাগাদ প্রাক্তন ফুটবলারের পরিজনেরা খবর পান, লেকগার্ডেন্স স্টেশন থেকে কিছুটা দূরে রেললাইনের পাশে পড়ে রয়েছে রঞ্জিতের নিথর দেহ৷ রেলপুলিশের দাবি, বজবজ লোকাল যাওয়ার পরই দেহটি পরে থাকতে দেখা যায়৷ উদ্ধারের সময় দেহ দ্বিখণ্ডিত হয়ে গিয়েছিল প্রাক্তন ফুটবলারের৷  রঞ্জিতের দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে৷

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ফ্ল্যাটে ঢুকে অভিনেত্রীর শ্লীলতাহানি, যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের]

আগে বাংলা অনূর্ধ্ব ১৬ দলে খেলতেন রঞ্জিত চট্টোপাধ্যায়৷ কিন্তু লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় বছরখানেক আগে খেলা ছেড়ে দেন তিনি৷ তার জেরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বাংলা জুনিয়র দলের প্রাক্তন ফুটবলার৷ কিন্তু রঞ্জিত আত্মহত্যা করেছেন সেকথা মানতে নারাজ তাঁর স্ত্রী৷ মৃতের পরিজনদের দাবি, খুন করা হয়েছে রঞ্জিতকে৷

Advertisement

প্রাথমিক তদন্তে রঞ্জিতের কললিস্ট ঘেঁটে আশু ভট্টাচার্যের নাম পাওয়া গিয়েছে৷ ওই নম্বরে বেশ কয়েকটি এসএমএস-ও পাঠিয়েছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার৷ রঞ্জিতের স্ত্রীর বয়ানেও উঠে এসেছে তাঁদের পূর্বপরিচিত ফিরোজ ও আশু ভট্টাচার্যের নাম৷ প্রাক্তন ফুটবলারের  স্ত্রী জানান, আশু ভট্টাচার্য আড়াই লক্ষ টাকা ফিরোজের থেকে ধার নেন৷ সেই সময় আশুর গ্যারেন্টার ছিলেন রঞ্জিত৷ কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই ফিরোজকে টাকা ফেরত দিচ্ছিলেন না আশু৷ এদিকে, টাকা ফেরতের জন্য রঞ্জিতকে চাপ দিচ্ছিলেন ফিরোজ৷ সেকথা বারবার আশুকে জানিয়েছিলেন রঞ্জিত৷ তাতেও সদুত্তর পাননি তিনি৷ মৃতের স্ত্রীর বয়ান অনুযায়ী ঘটনার নেপথ্যে আশু ও ফিরোজের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা৷

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.