Gosaba

ফের সেই পাঠানখালি, এবার ভুয়ো মৃত্যু শংসাপত্রের চক্র, দম্পতির গ্রেপ্তারিতে পুলিশের হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ফের গোসাবায় সক্রিয় জাল শংসাপত্র তৈরির চক্র!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০২৫, ২২:৫৩

options
link
ফের সেই পাঠানখালি, এবার ভুয়ো মৃত্যু শংসাপত্রের চক্র, দম্পতির গ্রেপ্তারিতে পুলিশের হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য
ফাইল ছবি

অর্ণব আইচ: ভুয়ো মৃত্যু শংসাপত্রেও এবার নাম জড়াল গোসাবার। ইতিমধ্যে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রে নাম জড়িয়েছে এই এলাকার। সম্প্রতি এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে শেক্সপিয়র সরণি থানা। সেই তদন্তে নেমে তদন্তকারীদের হাতে উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবার পাঠানখালি থেকে ভুয়ো মৃত্যুর শংসাপত্র তৈরি করা হয়েছিল। এর আগে কলকাতা ও আশপাশের জেলায় জাল পাসপোর্টের তদন্তে পুলিশ জানতে পারে যে, ভুয়া জন্মের শংসাপত্রের ভিত্তিতে পাসপোর্টের আবেদন জানানো হচ্ছে। বেশিরভাগ ভুয়া জন্মের শংসাপত্র তৈরি করা হয়েছে গোসাবার পাঠানখালি থেকেই। এই ঘটনায় চক্রের মাথাকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে। কিন্তু নতুন পাঠানখালির নাম উঠে আসায় রীতিমতো চিন্তিত তদন্তকারীরা। তাহলে নতুন করে ফের সেখানে সক্রিয় হয়েছে জাল শংসাপত্র তৈরির চক্র!

Advertisement

এদিকে, ভুয়ো মৃত্যুর শংসাপত্র জমা দিয়ে একটি জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, শেক্সপিয়র সরণি এলাকায় ভাড়া করা দোকানের দখল নিতে ভুয়ো মৃত্যুর শংসাপত্র তৈরি করে ফেলেন ধৃত ওই দম্পতি। এই ঘটনায় জর্জ ক্লিন্টন ডিকসন এবং তাঁর স্ত্রী ক‌্যারল এরিকসন ডিকসনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এজেসি বোস রোডের একটি দোকান ভাড়া নিয়েছিলেন সরল রায় ও নিত‌্যরঞ্জন ঘোষ। তাঁদের দু’জনের কাছ থেকে সাব টেনান্ট হিসাবে ফের দোকানটি ভাড়া নেন অভিযুক্ত ওই ডিকসন দম্পতি। কিন্তু দোকানটি সম্পূর্ণ দখল করতে নিত‌্যরঞ্জন ঘোষের ভুয়ো মৃত্যুর শংসাপত্র ডিকসন দম্পতি তৈরি করেন বলে অভিযোগ।

Advertisement

সে ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আধিকারিকরা জানতে পারেন, নিত‌্যরঞ্জন ঘোষের মৃত্যু হয় ২০১৪ সালে। পরিবারের লোকেরা তাঁর মৃত্যুর শংসাপত্র বের করেন। কিন্তু নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন‌্য এক এজেন্টের মাধ‌্যমে গত বছরের আগস্টে নিত‌্যরঞ্জন ঘোষের ভুয়ো মৃত্যুর শংসাপত্র বানানো হয়। সেটি আদালতে পেশ করার পর অভিযোগ ওঠে যে, তা ভুয়ো। তারই ভিত্তিতে শেক্সপিয়র সরণি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। পুলিশ তদন্ত করার পর জানতে পারে যে, গোসাবার পাঠানখালির গৌতম সর্দারের মাধ‌্যমেই ওই এজেন্ট ভুয়ো মৃত্যুর শংসাপত্র তৈরি করে তা ডিকসন দম্পতির হাতে তুলে দেয় বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে খবর, ওই গৌতম সর্দারের হাতে ধরেই তিন হাজার ভুয়া জন্ম শংসাপত্র ও ৫১০টি ভুয়ো মৃত্যুর শংসাপত্র তৈরি হয়। এই বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.