Bikash Bhavan

বাড়তি শিক্ষক বদলি থেকে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু, জরুরি সিদ্ধান্ত স্কুলশিক্ষা দপ্তরের

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ চালু নিয়ে শিক্ষকদের সচেতন করতে অনলাইনে 'উজ্জীবন চর্চা' নামে কর্মশালা করেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর।

গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৩:২৮

options
link
বাড়তি শিক্ষক বদলি থেকে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু, জরুরি সিদ্ধান্ত স্কুলশিক্ষা দপ্তরের

রাজ্যের শাসনক্ষমতায় আসার পর নানা ক্ষেত্রে সংস্কারমূলক কাজে হাত দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে শিক্ষাক্ষেত্রকে। দুর্নীতিমুক্ত স্বচ্ছ নিয়োগ থেকে পড়াশোনার মানোন্নয়নে তৎপর স্কুলশিক্ষা দপ্তর। তারই অংশ হিসেবে বেশ কিছু জরুরি সিদ্ধান্ত নিলেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন। স্কুলগুলিতে পড়ুয়া-শিক্ষক অনুপাতের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে ‘সারপ্লাস’ বা বাড়তি শিক্ষকদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হল। প্রাথমিক স্তর থেকে এই কাজ শুরু হচ্ছে। এছাড়া রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ চালু করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার জন্য অনলাইন প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে শিক্ষকদের।

Advertisement

বিরোধী শিক্ষক সংগঠনের দাবি, পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলিকে পুনরায় চালু করার জন্য উদ্যোগী হওয়ার পরিবর্তে সরকার যেভাবে স্কুলগুলিকে পাকাপাকিভাবে বন্ধ করে দিচ্ছে, সেটা সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি অনাস্থাকে আরও বাড়িয়ে দেবে। স্কুল বাঁচাতে বিজেপি শিক্ষক সেল মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছে বলে খবর।

বাড়তি শিক্ষকদের অন্যত্র বদলির নির্দেশে নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা। এর জেরে পাকাপাকিভাবে বহু স্কুলে তালা পড়তে পারে। বিরোধী শিক্ষক সংগঠনের দাবি, পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলিকে পুনরায় চালু করার জন্য উদ্যোগী হওয়ার পরিবর্তে সরকার যেভাবে স্কুলগুলিকে পাকাপাকিভাবে বন্ধ করে দিচ্ছে, সেটা সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি অনাস্থাকে আরও বাড়িয়ে দেবে। স্কুল বাঁচাতে বিজেপি শিক্ষক সেল মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছে বলে খবর। উলটোদিকে স্কুলশিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী প্রতি ৩০ জন পড়ুয়ার জন্য ১ জন করে যে শিক্ষক থাকার কথা, তা বহু স্কুলেই মানা হচ্ছে না। কোথাও রয়েছেন প্রয়োজনের বেশি শিক্ষক। ‘সারপ্লাস’ বদলির ফলে সমস্যা মিটবে বলে আশা সরকারের।

Advertisement

‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’ চালুর পর এই বিষয়ে শিক্ষকদের যথাযথ সচেতন করতে অনলাইনে ‘উজ্জীবন চর্চা’ শীর্ষক কর্মশালা করেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। শনিবার বেলা ১টা থেকে দপ্তরের সোশাল মিডিয়ায় লাইভ অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন। জানান, এই শিক্ষানীতির যথাযথ প্রয়োগে পড়ুয়াদের শিক্ষা আনন্দময় হয়ে উঠবে।

অন্যদিকে, ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’ চালুর পর এই বিষয়ে শিক্ষকদের যথাযথ সচেতন করতে অনলাইনে ‘উজ্জীবন চর্চা’ শীর্ষক কর্মশালা করেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। শনিবার বেলা ১টা থেকে দপ্তরের সোশাল মিডিয়ায় লাইভ অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন। জানান, এই শিক্ষানীতির যথাযথ প্রয়োগে পড়ুয়াদের শিক্ষা আনন্দময় হয়ে উঠবে। মন্ত্রীর কথায়, “মুখস্থবিদ্যার উপরে নির্ভরতার বদলে এই নীতিতে সামর্থ্যভিত্তিক, অনুসন্ধান, আনন্দময় ও অভিজ্ঞতামূলক শিক্ষার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়ার মধ্যে থাকা সম্ভাবনাকে বিকশিত করার সুযোগ দিতে হবে।” এক আধিকারিক জানান, যাদের প্রাথমিকে পড়ার কথা তারা যেন প্রাথমিকেই পড়ে। স্কুলে ভেন্ডিং মেশিন, পরিচ্ছন্ন শৌচালয়ের উল্লেখ রয়েছে এই শিক্ষানীতিতে। শিক্ষাকে আনন্দের সঙ্গে তুলে ধরার উপরে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.