গলফগ্রিনের যুগলের দেহ উদ্ধারের পরতে পরতে রহস্য। জানা যাচ্ছে, দেহ উদ্ধারের সময় সম্পূর্ণ বিবস্ত্র ছিলেন তরুণী। পুরুষ সঙ্গীর শরীরে ছিল শুধুই অন্তর্বাস। ঘরভর্তি ছড়িয়ে ছিল মাদক। পাশের ঘর থেকে উদ্ধার করা যুগলও ছিলেন নেশাগ্রস্ত। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অত্যাধিক নেশার জেরেই এই মৃত্যু। পাশের ঘরে থাকলেও ধৃত যুগল এতটাই নেশাগ্রস্ত ছিলেন যে মৃতদেহ থেকে দুর্গন্ধ বেরলেও তা তারা টের পাননি। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে তবেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম মহম্মদ দিলশাদ। তিলজলার বাসিন্দা তিনি। একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। তাঁর প্রেমিকা মেহুলি সান্যাল। সূত্রের খবর, গত ফেব্রুয়ারি মাসে গলফগ্রিন এলাকায় বাড়ি ভাড়া খুঁজতে গিয়েছিলেন তিনি। যে ফ্ল্যাট থেকে দেহ উদ্ধার হয়, সেটির মালিকের সঙ্গে আচমকাই দেখা হয় দিলশাদের। তখনই বাড়ি ভাড়া রয়েছে কি না খোঁজ করেন। মালিক জানান, তিনিই ফ্ল্যাট ভাড়া দেবেন। মাত্র ৬ হাজার টাকায় ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেন দিলশাদ। জানা যাচ্ছে, নিয়মিত ফ্ল্যাটে যেতেন না যুবক। তবে যেদিন যেতেন অধিকাংশ সময়ই তরুণী সঙ্গে থাকতেন।
এখানেই শেষ নয়, ধৃত যুগলেরও নিয়মিত আসা-যাওয়া ছিল ওই ফ্ল্যাটে। রাতভর চলত দেদার পার্টি। ফ্ল্যাট মালিক জানান, কবে দিলশাদরা গিয়েছেন তা তিনি জানতেন না। রবিবার সকালে প্রতিবেশীরা দুর্গন্ধ পেয়ে থানায় ফোন করেন। এরপর পুলিশ আধিকারিকরা গিয়ে দরজা ভেঙে উদ্ধার করে যুগলের দেহ। পাশের ঘরে ছিল আরেক যুগল। তবে তারা পুরোপুরি নেশাগ্রস্ত ছিল। সেখান থেকেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তবে মনে করা হচ্ছে, নেশার কারণেই পাশের ঘরে কী ভয়ংকর কাণ্ড ঘটে গিয়েছে তা বুঝতেও পারেননি তাঁরা। তবে ঠিক কী ঘটেছিল তা জানতে ধৃতদের জেরা করা হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দুই বউকেই থাকতে দিতে হবে ঘরে, আজব দাবিতে ২০০ ফুট উঁচু মোবাইল টাওয়ারে যুবক!
-
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারত কোথায়? সংসদে লিখিতভাবে জানাল মোদি সরকার
-
‘কারও নামে বদনাম করিনি’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই নেতাজি নিয়ে সুরবদল অনন্ত মহারাজের
-
ইউক্রেনের ব্যাঙ্কের সঙ্গে বিবাদ! যুদ্ধের মাঝে রাশিয়ায় বড় দায়িত্বে ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি
-
‘সময় ঠিক করুন, সব প্রশ্নের জবাব দেব’, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বিরোধীদের পালটা চাপ শাহের