পরিযায়ী শ্রমিক

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি পেয়েই তৎপর নবান্ন, জারি একগুচ্ছ নির্দেশিকা

লকডাউনের অজুহাতে শ্রমিকদের মজুরি কাটা যাবে না, কর্তৃপক্ষের প্রতি স্পষ্ট নির্দেশ নবান্নের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২০, ১৯:৩৪

options
link
পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি পেয়েই তৎপর নবান্ন, জারি একগুচ্ছ নির্দেশিকা

সন্দীপ চক্রবর্তী: লকডাউনের সময়ে যে যেখানে রয়েছে, সে সেখানেই যেন থাকে। এই নির্দেশিই দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রের তরফে। তবে সেই নির্দেশ অমান্য করেই ভিন রাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিকরা হেঁটেই বাড়ি ফিরতে মরিয়া। বিভিন্ন রাজ্যে এই ছবি ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। লকডাউনের মাত্র তিন থেকে চারদিনের মধ্যে এই ছবি উঠে আসায় এবার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্যগুলির উপর চাপিয়েছে কেন্দ্র। আর কেন্দ্রের নতুন নির্দেশিকা পেয়ে তৎপর পশ্চিমবঙ্গ। রবিবার বিকেলে রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, বাংলায় কর্মরত ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের জন্য কী কী ব্যবস্থা করতে হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘জরুরি পরিষেবায় যুক্ত সকলকে অভিনন্দন’, টুইটে শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী]

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী –

Advertisement
  • পরিযায়ী শ্রমিকদের পর্যাপ্ত সংখ্যায় অস্থায়ী আস্তানা তৈরি রাখতে হবে। জেলা প্রশাসনকে সেই দায়িত্ব নিতে হবে। চাইলে জেলা প্রশাসন এই কাজের স্থানীয় কোনও বেসরকারি বা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য নিতে পারে।
  • যে পরিযায়ী শ্রমিক বা বাইরে থেকে আগত কর্মীরা ইতিমধ্যেই কোয়ারেন্টাইনে বা স্বাস্থ্য দপ্তরের পর্যবেক্ষণের আওতায় আছে, তাঁদের প্রতি সর্বক্ষণ নজর রাখতে হবে। কেউ কোনও নিয়ম ভাঙলে, তাঁকে হাসপাতালে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
  • যে কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের সময়মতো মজুরি দিতে হবে কর্তৃপক্ষের। লকডাউনের অজুহাতে একটি দিনের বেতনও কাটা যাবে না, মজুরি দিতে দেরিও করা যাবে না।
  • এই পরিযায়ী শ্রমিকরা যেখানে ভাড়া থাকেন, সেখানকার বাড়িওয়ালা আগামী এক মাস নির্দিষ্ট সময়ে ভাড়া দেওয়ার জন্য জোর করতে পারবেন না। এ বিষয়ে শিথিল হতে হবে অন্তত এক মাসের জন্য। আর কাউকে জোর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করলে, বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমনিতেও লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করে দিয়েছিলেন যে বাংলায় কর্মরত ভিনরাজ্যে শ্রমিকের থাকা-খাওয়ার দায়িত্ব নেবে সরকার। আর পাঁচজনের মতোই সরকারি সুবিধা পাবেন এঁরাও। এবং যাতে অন্য রাজ্যগুলোও এই একইভাবে পরিযায়ী শ্রমিকদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, তার জন্য তিনি নিজের ১৮ জন মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন। আর আজ কেন্দ্র সেই নির্দেশিকা পাঠানোর পরই তৎপর হয়ে নবান্ন থেকে জারি হল একগুচ্ছ বিধি।

[আরও পড়ুন: লকডাউনে একাকী বৃদ্ধার ভাঁড়ারে টান, রসদ পৌঁছে দিলেন পুলিশকর্তা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন