Sharadvat Mukherjee

এইচআইভি আক্রান্ত বলে তৃণমূল আমলে কাজ হারান স্বাস্থ্যকর্মী! ‘বরদাস্ত নয়’, পদক্ষেপের নির্দেশ শারদ্বতের

এইচআইভি আক্রান্ত বলে কাজ গিয়েছে হাসপাতাল থেকে! শুধু তাই নয়, তৃণমূল আমলে কাজ করিয়ে প্রাপ্য পারিশ্রমিকও ওই স্বাস্থ্যকর্মীকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। ওই স্বাস্থ্যকর্মী ঘাটাল সরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।

অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ২০:৩৯

options
link
এইচআইভি আক্রান্ত বলে তৃণমূল আমলে কাজ হারান স্বাস্থ্যকর্মী! ‘বরদাস্ত নয়’, পদক্ষেপের নির্দেশ শারদ্বতের
পদক্ষেপের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর।

এইচআইভি আক্রান্ত বলে কাজ গিয়েছে হাসপাতাল থেকে! শুধু তাই নয়, তৃণমূল আমলে কাজ করিয়ে প্রাপ্য পারিশ্রমিকও ওই স্বাস্থ্যকর্মীকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। ওই স্বাস্থ্যকর্মী ঘাটাল সরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি অভিযোগ আকারে তিনি জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি! পালাবদলের পর রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এই বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এইসব একেবারেই বরদাস্ত করা হবে না। অভিযোগ সত্য হলে যথাযথ পদক্ষেপ হবে।

Advertisement

আক্রান্ত ব্যক্তির দাবি, তিনি ১৯৯৬ সাল থেকে ঘাটালের সরকারি হাসপাতালে সাফাই কর্মী হিসাবে কাজ করছিলেন। পরে সেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ওয়ার্ডে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার কাজ দেওয়া হয়েছিল। অস্থায়ী কর্মী হিসেবে তিনি সেই কাজ করছিলেনও। ২০০৭ সালে জানা যায় ওই ব্যক্তি এইচআইভি আক্রান্ত। তাঁর চিকিৎসাও চলে। কাজের ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ যে বাধা নয়, সেই কথা হাসপাতাল সূত্রেই জানানো হয়। ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের তরফে ‘ফিট সার্টিফিকেট’ও দেওয়া হয়। অভিযোগ, চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে তাঁকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কাজে আসতে বারণ করে দেন!

Advertisement

কাজ হারিয়ে ওই ব্যক্তি তৃণমূল আমলে নবান্ন ও স্বাস্থ্য দপ্তরেও অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি! অভিযোগ, ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত কাজ করিয়ে মাত্র ৬০০ টাকা পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। তৃণমূল আমলে যে সব সামাজিক প্রকল্প ছিল, তার সুবিধাও এই পরিবার পায়নি বলে অভিযোগ। কেন তাঁকে কাজ থেকে সরানো হল? কেন মাত্র ৬০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে? সেসব প্রশ্ন উঠেছে। সংসারের একমাত্র রোজগেরে তিনিই। তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ে রয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁকে।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে তৎকালীন রাজ্য সরকার সরকারি হাসপাতালে অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণের জন্য নির্দেশিকা জারি করেছিল। সেসময় তিনি চাকরিতে স্থায়ীকরণের আবেদনও জানিয়েছিলেন। সেই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিরক্তিও প্রকাশ করেছিল! সেই রোষানলেই কি তাঁর কাজ গেল? সেই প্রশ্নও উঠেছে। এই বিষয়টি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানতে পেরেছেন। অভিযোগ খতিয়ে দেখে দ্রুত নির্দেশের বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.