Abhishek Banerjee's Camac Street office

ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের

পুরসভা-পুলিশ আধিকারিকরা সেখান থেকে বেরিয়ে যেতেই ফের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ব্যানার টাঙিয়ে দেন অভিষেক অনুগামীরা। সেখানেও লেখা রয়েছে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস'-এর নাম ও প্রতীক।

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ২৩:৩২

options
link
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পড়ল নতুন হোর্ডিং। নিজস্ব ছবি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ধুন্ধমার কাণ্ড। সেখান থেকে তৃণমূলের সাইনবোর্ড খুলে দেন কলকাতা পুরসভার আধিকারিক। যা ঘিরে কার্যত একপ্রস্থ খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় ক্যামাক স্ট্রিটে। পুরসভা-পুলিশ আধিকারিকরা সেখান থেকে বেরিয়ে যেতেই ফের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ব্যানার টাঙিয়ে দেন অভিষেক অনুগামীরা। সেখানেও লেখা রয়েছে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’-এর নাম ও প্রতীক।

Advertisement
২৭ আগস্ট। বিকেলে ‘বেআইনি’ বিলবোর্ড খুলে দেয় কলকাতা পুরসভা।

ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বিল্ডিংয়ের সাত তলায় অভিষেকের অফিস। তৃণমূলের বড় বিলবোর্ড লাগানো ছিল সেখানে। সেটি অবৈধ, এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা সেখানে পৌঁছোন। সঙ্গে ছিল পুলিশও। ওই অফিসে থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তিও হয় একপ্রস্থ। অভিযোগ, অভিষেকের অফিসে ঢুকতে গেলে কলার ধরে পুলিশকে মারধর করা হয়। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী সিঁড়িতে পড়ে যান বলেই খবর। পুরকর্মীদেরও বারবার বাধা দেওয়া হয়। কলকাতা পুরসভার দাবি ওই বিলবোর্ডটি ‘বেআইনি’। তাই সেটি যেকোনওভাবে খুলে দেওয়া হবে। অভিষেক অবশ্য সে দাবি মানতে নারাজ। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ক্যামাক স্ট্রিটে অফিসে পুর আধিকারিক ও পুলিশ পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দেন, ‘যত দূর যেতে হয় যাব।’ পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান সাংসদ।

Advertisement
ক্যামাক স্ট্রিটে কার্যালয়ের সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব ছবি।

পুরসভা আধিকারিক ও পুলিশ দেখে অফিস থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। অর্ডার কপি দেখতে চান। অভিষেকের দাবি, পুরকর্মীরা তা দেখাতে পারেননি। তা নিয়ে দু’পক্ষের বাকবিতণ্ডাও হয়। অভিষেক বলেন, “আমার অফিসের বাইরে কী বোর্ড লাগাব, তা পুরসভা ঠিক করবে। আজ হাতেনাতে ধরা পড়া গিয়েছে। অর্ডার ঠিক করতে গিয়েছে। পুলিশের তাগিদ পুরসভার থেকে বেশি। গ্যাসকাটার নিয়ে আপনি তদারকি করতে এসেছেন। এটা বেআইনি প্রবেশ ছাড়া কিছুই নয়।” বৃহস্পতিবার বিকেলে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে অভিষেক-বাহিনীর প্রতিকূলতা পেরিয়ে ‘বেআইনি’ বিলবোর্ডটি খোলা হলেও, সেখানে থেকে পুরসভার আধিকারিক এবং পুলিশ চলে যেতেই ফের আরও একটি তৃণমূলে নাম-প্রতীক চিহ্ন দেওয়া ব্যানার সেখানে ঝোলানো হয়। এখন দেখার গাজোয়ারি করে দম্ভে টিকে থাকতে পারেন কি না তৃণমূলের ‘যুবরাজ’!

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.