Jogesh Chandra Chaudhuri College

যোগেশচন্দ্রের মামলায় দুই অধ্যক্ষকে তোপ রাজ্যের, ‘নিরাপত্তা প্রিন্সিপালের দায়িত্ব’, পর্যবেক্ষণ হাই কোর্টের

২ সপ্তাহ পর ফের শুনানি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৫, ১৮:১৫

options
link
যোগেশচন্দ্রের মামলায় দুই অধ্যক্ষকে তোপ রাজ্যের, ‘নিরাপত্তা প্রিন্সিপালের দায়িত্ব’, পর্যবেক্ষণ হাই কোর্টের

গোবিন্দ রায়: নির্দেশ মেনে যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজের মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে হাজিরা দিলেন চারু মার্কেট থানার ওসি। জানালেন, সবটাই কলেজের ভিতরে ঘটেছে। এদিকে অশান্তির দায় আইন ও ডে কলেজের অধ্যক্ষের কাঁধেই ঠেলল রাজ্য। সাফ জানানো হল, থানায় কোনও অভিযোগই জানানো হয়নি। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ, প্রিন্সিপাল নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে এটা ভেবেই ছাত্ররা কলেজে যায়। নিরাপত্তা প্রিন্সিপালের দায়িত্ব।  ২ সপ্তাহ পর হবে পরবর্তী শুনানি।

Advertisement

সরস্বতী পুজোর পর দোল উৎসব নিয়ে সম্প্রতি অশান্ত হয়ে ওঠে যোগেশচন্দ্র চৌধুরী। এক্ষেত্রেও অভিযোগ সেই বহিরাগতদের বিরুদ্ধেই। সোমবার কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ তথা কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি মালা রায় কলেজে গেলে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ হয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। অশান্তির পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন এক ছাত্র। কলেজের নিরাপত্তা বাড়াতে সিসিটিভির নজরদারি বৃদ্ধি ও বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ আটকাতে হাই কোর্ট নির্দেশ দিক, এই আবেদন জানান তিনি। মামলাকারী আরও দাবি করেন, তন্ময় রক্ষিত নামে এক ছাত্র কলেজে ক্লাসের মধ্যেই এক ছাত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন। যার জেরে অন্য ছাত্রদের বাইরে অপেক্ষা করতে হয়। কলেজে সাব্বির আলি ও তাঁর অনুরাগীদের বিরুদ্ধে মাফিয়ারাজ চালানোর অভিযোগও করেন তিনি। এদিকে পুলিশকে জানানো সত্ত্বেও কোনও লাভ হয়নি বলেই জানায় ডে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বেলা ১ টার মধ্যে চারু মার্কেট থানার ওসিকে আদালতে হাজিরা নির্দেশ দেন বিচারপতি। ওসি সেখানে গিয়ে জানান, সবটা কলেজের ভেতরে ঘটেছে। আইন কলেজের পক্ষের আইনজীবী জানান, তাঁদের সামনে কোনও ঘটনা ঘটেনি। এদিকে রাজ্যের আইনজীবী বিশ্বব্রত বসু মল্লিক আবার দুই কলেজের প্রিন্সিপালকেই নিশানা করেন। বলেন, অধ্যক্ষদের জন্যই এইসব গণ্ডগোল। এরপরই আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ, “প্রিন্সিপাল নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে এটা ভেবেই ছাত্ররা কলেজে যায়। এটা প্রিন্সিপালের দায়িত্ব।” থানায় অভিযোগ দায়ের হলে পুলিশকে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপের নির্দেশ দেয় আদালত। ২ সপ্তাহ পর ফের শুনানি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.