অর্ণব আইচ: নাবালিকাকে যৌন নিগ্রহ ও গলা কেটে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল জোড়াবাগান (Jorabagan) এলাকা। সংঘর্ষে জড়াল তৃণমূল-বিজেপির নেতা-কর্মীরা। গুরুতর জখম হয়েছেন দু’দলের দু’জন। বর্তমানে ঘটনাস্থলে রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। আতঙ্কে কাঁটা স্থানীয়রা।
জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে জোড়াবাগানের বৈষ্ণব শেখ স্ট্রিটে কেন সিসিটিভি নেই এই প্রশ্ন তোলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের রহস্যভেদ ও অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানান। পুলিশের বিরুদ্ধেও সুর চড়ান তাঁরা। সেই সময় ঘটনাস্থলে যায় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। তখনই কথা কাটাকাটি শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে। এরপরই বচসা সংঘর্ষের চেহারা নেয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশের সামনে চলে আক্রমণ, পালটা মার। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় শান্ত হয় এলাকা। তবে এখনও থমথমে এলাকা। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
[আরও পড়ুন: অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারের নামে প্রতারণা, টাকার বদলে এ কী পেলেন সাইবার ক্যাফের মালিক!]

ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। এদিন জোড়াবাগানের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৯ বছরের এক শিশুর দেহ। গতকাল রাত থেকেই নিখোঁজ ছিল ওই বালিকা। অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি পরিবারের লোকজন। তারপর, এদিন সকালে জোড়াবাগানের বৈষ্ণব শেখ স্ট্রিটের একটি বাড়ি থেকে ওই বালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে জোড়াবাগান থানার পুলিশ। পৌঁছে গিয়েছেন লালবাজারের গোয়েন্দারাও। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে বালিকাটি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। সেই অপরাধ ঢাকতেই তাকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। এদিকে অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে সুর চড়িয়েছেন রাজনৈতিক দলগুলি।
[আরও পড়ুন:শ্রমিক নিয়োগ ঘিরে শিলিগুড়িতে INTTUC’র বিক্ষোভ, চলল গুলি, লাঠিচার্জ পুলিশের]
সর্বশেষ খবর
-
বাঘ, ভালুকের দেখভাল করবে পড়ুয়ারা! জু রেঞ্জার হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে আলিপুর চিড়িয়াখানা
-
রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গড়িমসি রাজ্যের! অসন্তোষ হাই কোর্টের
-
মুম্বইয়ের বহুতলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! শিশু-সহ মৃত ২, আহত আরও ৮ জন
-
ওবিসি জটেই ঝুলে! ৩১ আগস্টের মধ্যে হচ্ছে না ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ, জানিয়ে দিল এসএসসি
-
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, অভিষেকের ক্রিকেট কেরিয়ার কি শেষ? কী ভাবছে দিল্লি ক্যাপিটালস, সিএবি?