Beldanga Case

বেলডাঙায় ইউএপিএ! মামলা ছাড়ল ডিভিশন বেঞ্চ, সিদ্ধান্ত প্রধান বিচারপতির

গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৫:৩৩

options
link
বেলডাঙায় ইউএপিএ! মামলা ছাড়ল ডিভিশন বেঞ্চ, সিদ্ধান্ত প্রধান বিচারপতির
ফাইল ছবি।

বেলডাঙা মামলা (Beldanga Case) থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলা ফেরৎ পাঠানো হল প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চে। আজ, মঙ্গলবার বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে বেলডাঙা মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই মামলায় ইউএপিএ (বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন) এর ১৫ ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন প্রধান বিচারপতি। তাই এই মামলার শুনানি এই বেঞ্চ সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

শুনানিতে বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই মামলায় ইউএপিএ ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন প্রধান বিচারপতি। তাই এই মামলার শুনানি এই বেঞ্চ সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায়।

বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় (Beldanga Case) অভিযুক্তদের জামিন বাতিলের আর্জি জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। গত কয়েকদিন আগেই শর্তসাপেক্ষে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে এনআইএ’র বিশেষ আদালত। আর এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি সিংহ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। আদালতে এনআইএ জানায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ইউএপিএ ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আর সেই তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই অভিযুক্ত ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। নিম্ন আদালতের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আজ মঙ্গলবার সেই মামলারই শুনানি হয়।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। ঝাড়খণ্ডে ওই পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ হয়! দফায় দফায় ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। সংবাদমাধ্যমের উপরেও হামলা হয়েছিল! রাজ্য পুলিশের বিশাল বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। ধরপাকড়ের পর পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে। তবে চাপা উত্তেজনা ছিল। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ওই ঘটনার তদন্তভার গিয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএর কাছে। ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.