দীর্ঘদিনের জট এবার কাটতে চলেছে। অবশেষে বরানগর-বারাকপুর মেট্রো করিডরের পিঙ্ক লাইনের ছাড়পত্র মিলল। কলকাতা পুরসভা এই ছাড়পত্র দিয়েছে। সেই ছাড়পত্রের পর অভিনন্দন জানিয়েছেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক্স হ্যান্ডেলে একটি বড় বার্তাও দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপটি কলকাতার উত্তর শহরতলিতে দ্রুতগামী গণপরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এর ফলে যাতায়াতের সময় যেমন বহুলাংশে কমবে, তেমনই প্রধান সড়কগুলিতে যানজট হ্রাস পাবে। যাত্রীরা নিরাপদ ও আধুনিক গণপরিবহন পরিষেবার সুবিধা পাবেন।” প্রসঙ্গত, তৃণমূল আমল থেকে এই মেট্রোপথ সম্প্রসারণ নিয়ে জটিলতা চলছিল।
আরও পড়ুন:
কলকাতা ছাড়িয়ে শহরতলিতেও মেট্রো চালানোর পরিকল্পনা করে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। উত্তর কলকাতা থেকে শহরতলি হয়ে আরও উত্তরে ওই মেট্রো চলাচলের কথা জানানো হয়। বরানগর হয়ে বারাকপুর পর্যন্ত মেট্রোপথ হবে। সেই কথা ঘোষণা হয়। লোকাল ট্রেনের উপর যাত্রী চাপ কমাতে ও স্বাচ্ছন্দ, কম সময়ে যাত্রার কথা ভেবেই এই রুটের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু জমি পেতে সমস্যা হয়। একাধিক সমস্যা এসে দাঁড়ায়। তৃণমূল আমলে এই প্রকল্প কার্যত ‘বিশ বাঁও জলে’ চলে যায় বলে অভিযোগ।
I warmly welcome the issuance of the No Objection Certificate (NOC) by the Kolkata Municipal Corporation (KMC) for the Baranagar–Barrackpore Metro Corridor (Pink Line) along B.T. Road. This milestone marks a significant step forward in expanding rapid mass transit across the… pic.twitter.com/tsIH6JrxCt
Advertisement— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) August 24, 2026
রাজ্যে পালাবদলের পরই বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে গতি এসেছে। কলকাতা পুরসভা এই মেট্রো করিডরের পিঙ্ক লাইনে ছাড়পত্র দিল বলে খবর আসে। এই মেট্রোপথের দৈর্ঘ্য মোট ১২.৫ কিমি। বিটি রোড বরাবর এই মেট্রোপথ হবে বলে খবর। বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে স্থানীয় পুর সংস্থা এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কর্তৃপক্ষের মধ্যে নিবিড় ও সুষ্ঠু সমন্বয় নিশ্চিত করবে যে, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলে এবং কোনও বাধার সম্মুখীন না হয়। জটিল প্রকৌশলগত সমস্যা সমাধান এবং সুষ্ঠু নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে যৌথ শাসনব্যবস্থা ও দায়িত্বশীল প্রশাসন অপরিহার্য।
মুখ্যমন্ত্রী আরও লিখেছেন, “বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে স্থানীয় পুরসংস্থা এবং রাজ্য-কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে নিবিড় ও সুষ্ঠু সমন্বয় নিশ্চিত করবে, জনস্বার্থের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলে। জটিল সমস্যা সমাধান এবং সুষ্ঠু নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে যৌথ শাসনব্যবস্থা ও দায়িত্বশীল প্রশাসন অপরিহার্য।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রোগী ভর্তির পর ৭২ ঘণ্টা প্রাইভেট প্র্যাকটিস না, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের জন্য জারি কড়া নির্দেশিকা!
-
৭ দিনের ডেডলাইন! ধর্মতলার বিধান মার্কেট সরিয়ে জোকা লাইনের মেট্রোর কাজ শুরুর নির্দেশ হাই কোর্টের
-
এসএসসি চাকরি ‘বিক্রি’তে কোন পদের জন্য কত লক্ষ টাকা? পার্থ-অর্পিতার বিরুদ্ধে চার্জশিট ইডির
-
ইরানের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা! ‘তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করুন, না হলে…’, বিশ্বনেতাদের হুমকি আমেরিকার
-
যাদবপুরে বৈঠক শেষে বেরনোর সময় পড়ে গেলেন উপাচার্য! ‘নাটক করছেন’, দাবি বিক্ষোভকারীদের