Kolkata

কলকাতার অলংকার ব্যবসায়ীর দোকানে ‘চিচিং ফাঁক’! গায়েব সাড়ে ৩ কোটির সোনা, শহরে আজব চুরি

পলাতক দুই কীর্তিমানের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে গয়নার দোকানে থাকা সিসিটিভি ফুটেজও।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১৬:২৯

options
link
কলকাতার অলংকার ব্যবসায়ীর দোকানে ‘চিচিং ফাঁক’! গায়েব সাড়ে ৩ কোটির সোনা, শহরে আজব চুরি
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।

গয়নার দোকান থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকার সোনা হাতিয়ে পলাতক দুই কারিগর। ঘটনা সামনে আসতেই গিরিশ পার্ক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ওই সোনার দোকান কর্তৃপক্ষ। অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত। শুধু তাই নয়, পলাতক দুই কীর্তিমানের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে গয়নার দোকানে থাকা সিসিটিভি ফুটেজও।

Advertisement

দোকানের পক্ষে দীর্ঘসময়ের স্টক ও সোনার গয়নার পরিমাণ মেলানো হয়। তাতেই তাঁরা জানতে পারেন যে, প্রায় ২ কিলো ২৮২ গ্রাম সোনা হাতিয়ে নিয়েছেন ওই কারিগর।

পুলিশ জানিয়েছে, গিরিশ পার্কের কালীকৃষ্ণ টেগোর স্ট্রিটে রয়েছে ওই নামী সোনার ওয়ার্কশপটি। ওই দোকানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন দুই কারিগর। সোনার দোকান কর্তৃপক্ষর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে হারাধন দে ও শুভঙ্কর সামন্ত নামে দুই কারিগর দোকানে যান। আধিকারিকদের জানান, তাঁরা ন্যায্য দামে সোনার গয়না তৈরি করে দেবেন। এজন্য তাঁদের সোনা দেওয়ার কথাও জানানো হয়। এজন্য দোকানের মালিকদের সঙ্গে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির একটি চুক্তিও হয়। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এভাবেই তাঁরা সোনা নিতে থাকেন। তাঁদের সোনার আংটি বা হারে বসানোর জন‌্য দামী পাথরও দেওয়া হয়। প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে সোনা নিয়ে কাজ করতে থাকেন ওই দুই কারিগর। এভাবেই তৈরি হয় বিশ্বাসযোগ্যতা!

Advertisement

পুলিশের কাছে সোনার দোকানের মালিকের অভিযোগ, তাঁরা যতটা সোনা নিতেন, তার বদলে যে গয়না ফেরত দিতেন, তা অনেকটাই হালকা। এমনকী কাজ দেখেও প্রথমে তাঁদের সন্দেহ হয়। এরপরই দোকানের তরফে দীর্ঘসময়ের স্টক ও সোনার গয়নার পরিমাণ মেলানো হয়। তাতেই তাঁরা জানতে পারেন যে, প্রায় ২ কিলো ২৮২ গ্রাম সোনা হাতিয়ে নিয়েছেন ওই কারিগর। ওই সোনার দাম সাড়ে তিন কোটি টাকা বলে দাবি করা হয়। এই ব‌্যাপারে ওই কারিগরের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন দোকানের মালিকরা। কারিগররা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে জানান যে, ওই সোনা তাঁদের সঙ্গে রয়েছে। কিন্তু এর পর থেকে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন ওই কারিগররা। এর পরই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দোকানের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তারই ভিত্তিতে ‘পলাতক’ দুই কারিগরের সন্ধানে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.