রাহুল রায়: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপালে গুলি মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগের কোনও সারবত্তা নেই। নিম্ন আদালতে একথাই জানাল কলকাতা পুলিশ। আগামী ১৬ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর বঙ্গ বিজেপির নবান্ন অভিযানে জখম হয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের এসিপি দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায়। চিকিৎসাধীন থাকাকালীন দেবজিৎকে দেখতে এসএসকেএম হাসপাতালে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেখানে পুলিশের সহ্যশক্তি এবং ধৈর্য্যের প্রশংসা করে তৃণমূল সাংসদ বলেন, “দেবজিৎবাবুকে বলে এলাম, আপনার সংবেদনশীলতাকে স্যালুট জানাই। আপনার জায়গায় আমি থাকলে মাথায় গুলি করতাম।”
[আরও পড়ুন: ‘ওদের শাস্তি দেবে জনতা’, গান্ধীজিকে মহিষাসুর সাজানোয় পুজো উদ্যোক্তাদের আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর]
তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক ছড়ায়। অভিষেকের এই মন্তব্যের সমালোচনা করে থানায় এফআইআর দায়ের করার চেষ্টা করেন বঙ্গ বিজেপি-র নেতারা। তবে গেরুয়া শিবিরের দাবি, অভিষেকের ওই মন্তব্যের বিরুদ্ধে এফআইআর করার চেষ্টা করেছিলেন বিজেপি নেতারা, কিন্তু পুলিশ এফআইআর করতে চায়নি। এরপরই মামলা দায়ের করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই কলকাতা পুলিশ বৃহস্পতিবার আদালতে রিপোর্ট পেশ করে। পুলিশের তরফে দাবি করা হয়, অভিষেকের ‘কপালে গুলি’ মন্তব্যের পর কোনও অপরাধমূলক ঘটনা ঘটেনি। তাই রিপোর্টে সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগের কোনও সারবত্তা নেই।
অবশ্য রিপোর্টটি হাতে পাওয়ার আরজি জানান মামলাকারীর আইনজীবী। সেই আরজি খারিজ করে দেয় আদালত। ওই রিপোর্ট দেওয়া যাবে না বলেই সাফ জানানো হয়। তবে মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি অনুযায়ী, শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ১৬ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।
[আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতাচ্যুত হলে এজেন্সি দু’কান মুলে দেবে’, নাম না করে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি মমতার]
সর্বশেষ খবর
-
ভদ্রলোকের এক কথা! চ্যাম্পিয়ন হয়েও ফের নকভির হাত থেকে ট্রফি নিল না ভারত
-
রেজিনগরের নির্বাচন কোন্দলে বাম ঐক্য চুরমার! প্রার্থী বাছাইয়ে সিপিএমের ‘দাদাগিরি’ মানতে নারাজ আরএসপি
-
ব্লক-আনব্লকের পর ঘনিষ্ঠতা! মেসে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের মাঝেই প্রেমিকার বিশেষ বন্ধুর ফোন, পুরুলিয়া কাণ্ডের নেপথ্যে প্রতিশোধ?
-
স্মৃতি-শেফালির দুরন্ত ব্যাটিং, ‘ঘূর্ণিঝড়’ স্পিনারদের! শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়াসেরা ভারত
-
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস! ধর্ষণের অভিযোগ মহম্মদ শামির ভাইয়ের বিরুদ্ধে