Mahua Moitra

ঋতব্রতর তৃণমূলকে ‘বিজেমূল’ তোপ, প্রকাশ্যে এসে মহুয়া বোঝালেন তিনি মমতার পাশেই

'ক্ষমতায় থেকে নেতাদের চর্বি জমে গিয়েছে', বিদ্রোহীদের আক্রমণ মহুয়ার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৬, ১৩:৫৯

options
link
ঋতব্রতর তৃণমূলকে ‘বিজেমূল’ তোপ, প্রকাশ্যে এসে মহুয়া বোঝালেন তিনি মমতার পাশেই
ঋতব্রতর তৃণমূলকে 'বিজেমূল' তোপ, প্রকাশ্যে এসে মহুয়া বোঝালেন তিনি মমতার পাশেই

ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া তৃণমূল। পরিষদীয় দলের রাশ দলবদলু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) হাতে। যা নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। এই মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে গুটি কয়েক পুরনো নেতা ছাড়া কেউ নেই। এই পরিস্থিতিতে মমতার হয়ে ব্যাটন ধরলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। ঋতব্রতর ‘নতুন তৃণমূল’কে বিজেমূল বলে তোপ দাগলেন তিনি। বললেন, এই ৫৮ জন বিধায়ক যা করলেন তা মানুষের সঙ্গে অন্যায়।

Advertisement

পালাবদলের পর থেকে একে একে মমতার সঙ্গ ত্যাগ করেছেন দাপুটে নেতা, দীর্ঘদিনের সঙ্গীরা। প্রত্যেকের অভিযোগ ছিল একজনের বিরুদ্ধে। তিনি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেনাপতির নেতত্ব মানতে নারাজ অধিকাংশই। এসবের মাঝে বিধানসভার সই কাণ্ড মমতার হাতে গড়া তৃণমূলকে চুরমার করে দিয়েছে। বর্তমানে পরিষদীয় দলের রাশ নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। দুই তৃতীয়াংশের বেশি বিধায়কের সমর্থন পেয়ে বিধানসভায় এখন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রতরাই। এদিন পরিসংখ্যান তুলে ধরে তা নিয়েই ঋতব্রত-সহ বিদ্রোহী বিধায়কদের তুলোধোনা করলেন মহুয়া।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

Advertisement

ঠিক কী বলেছেন মহুয়া? তাঁর কথায়, “বিজেপি ভোট পেয়েছে ২ কোটি ৯০ লক্ষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল পেয়েছে ২ কোটি ৬০ লক্ষ। অর্থাৎ ৩০ লক্ষের ব্যবধান। বাংলার যে ৮০ টি আসন তৃণমূল জিতেছিল, তা সবটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে। প্রার্থীদের কোনও ক্যারিশ্মা ছিল না। তারপর এভাবে দল ভেঙে দেওয়া মানে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা।” মহুয়া বলেন, যাদের যাওয়ার ছিল, তাঁরা বিজেমূল প্রতীকে লড়ে জিতে আসতে পারতেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ব্যবহার করতে হল কেন? প্রশ্ন তুললেন তিনি। তৃণমূল এভাবে ভেঙে দেওয়ার নেপথ্যে বিদ্রোহীদের ব্যক্তিস্বার্থ রয়েছে বলেই দাবি সাংসদের। খোঁচা দিয়ে তিনি বললেন, “আসলে ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে নেতাদের চর্বি জমে গিয়েছে। এখন বিরোধিতা করতে ভালো লাগছে না। কারণ, পুলিশ , বিডিও কেউ কথা শুনবে না। সমস্যায় পড়তে হবে। সেই কারণে শাসকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিয়ে সমস্যা শেষ। নামে বিরোধী থাকলাম, কিন্তু শাসকের পূর্ণ সমর্থন পাবো।” মহুয়া মৈত্র এদিন স্পষ্ট কথায় বুঝিয়ে দিলেন, তিনি মমতার সঙ্গে ছিলেন, আছেন থাকবেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.