Fire

পাটের পর প্লাস্টিক, হাওড়ার গুদামে ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড

ঘিঞ্জি এলাকায় আগুন নেভাতে হিমশিম দশা দমকল কর্মীদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২৩, ১৩:৫৭

options
link
পাটের পর প্লাস্টিক, হাওড়ার গুদামে ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড

অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড হাওড়ার (Howrah) গুদামে। সোমবার ফোরশোর রোডের জুটমিল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। আর মঙ্গলবার দাউদাউ আগুন (Fire) ঘুসুড়ি এলাকার প্লাস্টিকের গুদামে। ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। চারপাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যাওয়ায় আতঙ্কে বাইরে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। দমকলের তিনটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনও লড়ে যাচ্ছেন দমকল কর্মীরা। বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Advertisement

Advertisement

 

Advertisement

হাওড়ার মালিপাঁচঘড়া থানা এলাকার ২২০, নস্করপাড়া রোড। এখানেই মঙ্গলবার সকালে সাড়ে ৮টার একটু পরে আগুন লাগে। প্লাস্টিকের গুদাম (Plastic Godown) হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ঘন কালো ধোঁয়ায়চ ঢেকে যায় আশপাশের এলাকা। স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে বেরিয়ে আসেন। খবর পাঠানো হয় দমকলে। তিনটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। কিন্তু এলাকাটি ঘিঞ্জি হওয়ায় রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয় দমকল কর্মীদের। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন খানিকটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে। জানা গিয়েছে, এই সময় গুদামটি বন্ধ ছিল। কোনও কর্মী ছিলেন না। সেই কারণে প্রাণহানি এড়ানো গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: Jaynagar: থাকবে না রাজনৈতিক রং, দলুয়াখাঁকি গ্রামে ত্রাণ বিলি করতে পারবে বামেরা, অনুমতি হাই কোর্টের]

মালিপাঁচঘড়ার এই গুদামটি যে বাড়িতে, তা মূলত ব্রিটিশ আমলের। তিনতলা বাড়ির দোতলায় আগে ছিল রাধেশ্যাম কটন মিল নামে একটি কাপড়ের কারখানা ছিল। তার পর সেখানে তৈরি হয় প্লাস্টিকের কারখানা। এখন তা গুদাম। সেখানেই মজুত করা প্লাস্টিকে আগুন লেগে ভয়াবহ পরিস্থিতি। অগ্নিকাণ্ডের জেরে কতটা ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে এখনই কোনও ধারণা করা না গেলেও তার পরিমাণ অনেকটা বলে প্রাথমিক অনুমান গুদাম মালিকের। বারবার হাওড়া শিল্পাঞ্চলের একাধিক কারখানা, গুদামে এমন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। গত একমাসেই পর পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় একাধিক প্রশ্ন উঠছে। এ কি নিছকই দুর্ঘটনা নাকি নেপথ্যে কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে, সেই সংশয় থাকছেই। পাশাপাশি কারখানাগুলির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করছেন আশেপাশের বাসিন্দারা।

[আরও পড়ুন: বিয়ের তোড়জোড়ের মাঝেই অঘটন, সার্ভিস রিভলবার থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী বিএসএফ জওয়ান]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.