গৌতম ব্রহ্ম: গলায় ব্যাটারি আটকে জীবন সংশয় হয়েছিল পাঁচ বছরের শিশুর। ইসোফেগোস্কোপি ও ব্রঙ্কোস্কোপি করে অবশেষে শুক্রবার খাদ্যনালির দেওয়ালে গেঁথে থাকা সেই ব্যাটারি বের করল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। সঙ্কটমুক্ত হল শিশু।
[‘২৪ ঘণ্টা সাগরদিঘির জলে চুবিয়ে রাখব’, দিলীপ ঘোষকে হুমকি রবীন্দ্রনাথের]
শিশুটির নাম রোহণ মোল্লা। বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে। আট দিন আগে দাদার সঙ্গে খেলার সময় মুখে ব্যাটারি পুরে ফেলেছিল রোহন। শ্বাসনালি ও খাদ্যনালির সংযোগস্থলে তা আটকে গিয়েছিল। বন্ধ হয়ে গিয়েছিল খাওয়া-দাওয়া। দুশ্চিন্তার আকাশ ভেঙে পড়েছিল মা মিনুজা বেগমের মাথায়। ছেলেকে নিয়ে প্রথমে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান মিনুজা। কিন্তু পরিকাঠামো না থাকায় বারুইপুরের চিকিৎসকরা শিশুটিকে কলকাতায় রেফার করেন। এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয় শিশুটিকে। অভিযোগ, এনআরএসের এমার্জেন্সির চিকিৎসকরা শিশুটির চিকিৎসা করেননি। চিকিৎসা না পেয়ে শিশুটির অবস্থা ক্রমশ খারাপ হচ্ছিল। দেরি হলে বিপন্ন হতে পারত জীবন।

[বিশ্বকাপের আবহে ফুটবলের প্রচারে মঞ্চে ৯ কন্যার অভিনব নাচ]
একপ্রকার ঝুঁকি নিয়েই ছেলেকে মেডিক্যালে নিয়ে আসেন মিনুজা। চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা শুরু করেন রোহনের। এদিন ইএনটি বিভাগের চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার করেন রোহনের। বের করেন ব্যাটারি। ইএনটি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রামানুজ সিনহা জানিয়েছেন, খেলনায় ব্যবহৃত চ্যাপ্টা ব্যাটারি খেয়ে ফেলেছিল রোহন। ব্যাটারিটি খাদ্যনালির দেওয়াল ভেদ করে শ্বাসনালিতে ঢোকার চেষ্টা করছিল। তার আগেই ইসোফেগোস্কোপি ও ব্রঙ্কোস্কোপি করে ব্যাটারিটি বের করা গিয়েছে। শিশুটিকে এদিন রাইলস টিউব দিয়ে খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু শিশুটির শরীরে ব্যাটারির বিষ কতটা ছড়িয়েছে তা এখনই বলা মুশকিল।
সর্বশেষ খবর
-
মূলস্রোতের স্কুলে পড়বে দিব্যাঙ্গ শিশুরাও! পরিকাঠামো উন্নয়নে নজর রাজ্যের
-
ষষ্ঠ বিদেশি সই করিয়ে ফেলল ইস্টবেঙ্গল, এক বছরের জন্য লাল-হলুদে আইভোরি কোস্টের স্ট্রাইকার
-
ফুচকার লোভ দেখিয়ে নাবালিকাকে ‘ব্যাড টাচ’! গ্রেপ্তার প্রতিবেশী ‘দাদু’, উত্তরপাড়ায় হুলস্থুল
-
চূড়ান্ত হয়ে গেল কলকাতা লিগের ডার্বির দিনক্ষণ, বারাসতে মুখোমুখি হবে মোহন-ইস্ট
-
বুধে বালুরঘাটে সুকান্তের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন মুখ্যমন্ত্রী, মেনুতে থাকছে কোন বিশেষ মাছ?