একসময় বাংলা শিক্ষাক্ষেত্রে ‘জ্ঞানসাগর’ এবং ‘গুণসাগর’ বলে পরিচিত ছিল। তবে তৃণমূল জমানায় শিক্ষাক্ষেত্রে একের পর এক দুর্নীতি সামনে এসেছে। প্রথমবার বাংলায় বিজেপি সরকার আসার পর কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতি মেনে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থার খোলনলচে বদলে দেওয়াই লক্ষ্য উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্য়ায়ের। সুরেন্দ্রনাথের মতো কলেজে কলেজে ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙা লক্ষ্য মন্ত্রীর।
এই বিষয়ে আরও খবর
দপ্তর বণ্টনের পরই বিকাশ ভবনে যান মন্ত্রী। সেখানে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে একপ্রস্থ কথাও হয় তাঁর। এরপর সাংবাদিক বৈঠকে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ‘বেডরুমে’র ছবি প্রকাশ্যে আসার ঘটনা নিয়ে তোপ দাগেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “কলেজে লাইব্রেরির বদলে বেডরুমের ছবি প্রকাশ্যে আসছে। তাতেই বোঝা যায় শিক্ষার অবস্থা কতটা করুণ।” উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রত্যেক আধিকারিককে সময়ানুবর্তী হতে হবে বলেও জানান তিনি। বিকাশ ভবনে ‘সময় আসে, সময় যাওয়ার’ সংস্কৃতি চালু করা হবে বলেই জানান। বলে রাখা ভালো, এর আগে কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে নবান্নেও একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শুধু তাই নয়, মন্ত্রীর আশ্বাস, আগামী দিনে কলেজে কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে। তিনি আরও বলেন, “কেন্দ্রকে বাদ দিয়ে সরকার চালানোর প্রবণতা ছিল আগে। শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমরা একটা টিম হিসাবে কাজ করব। বাঙালিকে আবারও উচ্চশিক্ষায় প্রতিষ্ঠা দেওয়াই হবে লক্ষ্য।” তাঁর আশ্বাস, এবার থেকে প্রতি বছর এসএসসি,সিএসসি, পিএসসি হবে। নিয়োগ দুর্নীতির যে অভিযোগ পূর্বতন সরকারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সেই অভিযোগ যাতে আর না ওঠে তাই নিয়োগ আরও স্বচ্ছ এবং ঘুষমুক্ত হবে বলেই অঙ্গীকার মন্ত্রীর। এছাড়াও আর যা যা দুর্নীতি রয়েছে সেসবের পর্দাফাঁস করে শিক্ষাক্ষেত্রে দেশের এক নম্বর করে তোলাই লক্ষ্য তাঁর। সবশেষে মন্ত্রীর ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য, “আগে আগে দেখো, হোতা হ্যায় ক্যায়া।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
শিল্পের খরা কাটছে জঙ্গলমহলে! ইকো টুরিজমে ভরসা করে কর্মসংস্থানের ডাক ঝাড়গ্রামে
-
বাংলায় লিচু-বিপ্লব! অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সুবাদে আকাশপথে ভিনরাজ্যে মরশুমি ফল
-
বয়সকে তুড়িতে উড়িয়ে দুর্গম ‘মুকার বে’ শৃঙ্গ জয় ষাটোর্ধ্ব বসন্তর
-
গাড়িতে বোমা, প্রাক্তন প্রেমিকাকে অপহরণ করে ‘সহমরণে’র ফাঁদ, তারপর…
-
‘ককটেল ২’ মুক্তির পরই কৃতীর প্রেমে ইতি? কবীরের বাহুলগ্না অন্য নারী! ভাইরাল ছবি



