দমদম বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক যন্ত্র

কোঝিকোড় দুর্ঘটনার পর বাড়তি সতর্কতা, দমদম বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি

আগেই এসেছিল যন্ত্রটি, এবার ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২০, ২১:৪০

options
link
কোঝিকোড় দুর্ঘটনার পর বাড়তি সতর্কতা, দমদম বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি

কলহার মুখোপাধ্যায়, বিধাননগর: কেরলের কোঝিকোড়ে বিমান দুর্ঘটনার পর অতিরিক্ত সর্তকতা নিয়েছে দেশের বিমানবন্দরগুলি। বাড়তি সাবধানতা কলকাতা বিমানবন্দরেও। বিমান দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকারী বিভাগগুলির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজের জন্য রানওয়েতে মোবাইল কম্যান্ড পোস্ট (MCP) নামক বিশেষ একটি যান নামানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে আধুনিক ব্যবস্থায় সজ্জিত এই বাহন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে দেবে।

Advertisement

মঙ্গলবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই খবর জানিয়েছে। বিশেষ এই যানটি আগেই নিয়ে আসা হয়েছিল কলকাতায়। কোঝিকোড়ের ঘটনার পর সেটাকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বিমানবন্দরের তরফ থেকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা আবহেও কমছে না ‘শ্রী’! এবার পুজোয় কেদারনাথে নিয়ে যাবে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব]

এমসিপি আসলে অনেকটা ছোট লরির মতো। এই যানটিতে থাকবে একাধিক আধুনিক ক্যামেরা, সাময়িক চিকিৎসা সরঞ্জামও। ক্যামেরার মাধ্যমে ঘটনাস্থলের টাটকা ছবি গাড়ির মধ্যেই দেখতে পাবেন উদ্ধারকারীরা। সেই ছবি উদ্ধারকাজে যুক্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগকে পাঠানো যাবে সঙ্গে সঙ্গে। উদ্ধারকারী দলের নেতৃত্বে যাঁরা থাকবেন, এমসিপির সাহায্যে তাঁরা সমগ্র কাজ পরিচালনা করতে পারবেন ঘটনাস্থল থেকেই। এই গাড়িতে থাকবে ৮ জনের বসার জায়গা। থাকবে ডিজিটাল বোর্ডের মাধ্যমে প্রোজেকশনের ব্যবস্থা এবং শব্দ প্রক্ষেপণের প্রযুক্তি। ঘটনাস্থলের টাটকা ছবি দেখে পরিকল্পনা করে দ্রুত নির্দেশ দিয়ে উদ্ধারকারী বিভাগকে সচল রাখতে এই গাড়ির বিশেষ ব্যবস্থা কার্যকরী ভূমিকা নেবে বলে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সংক্রমণ রুখতে নয়া পদক্ষেপ, নবান্ন থেকে সরানো হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর]

গত শুক্রবারের দুর্ঘটনার পর আপৎকালীন পরিস্থিতিতে এসআরসি বা সারভাইভারস রিসেপশন সেন্টার খোলা হয়। তার সঙ্গে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার (CMC) এবং এয়ারপোর্ট অপারেশন কন্ট্রোল সেন্টার (AOCC) খোলা হয় সাময়িকভাবে। এই তিন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ দুর্ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দলকে মূলত নেতৃত্ব দেয়। এই গোটা বিষয়টি র সমন্বয় সাধনের কাজটি করবে মোবাইল কম্যান্ড পোস্ট গাড়িটি। ঘটনাস্থলের ৯০ মিটারের মধ্যে দাঁড়িয়ে এটি কাজ করবে। সেরকম প্রযুক্তি ব্যবহার করেই তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ যানটি। এর মূল্য প্রায় ৪৬ লক্ষ টাকা। এপ্রিল মাসের শেষে এই যান কলকাতা বিমানবন্দরে আনা হয়েছিল। এখন এটিকে আরও গুরুত্ব সহকারে ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন