সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুক্রবারের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে রবিবারও। এদিনও ভাঙড়ে প্রবেশের অনুমতি পাননি নওশাদ সিদ্দিকি (Nawsad Siddique)। একাধিকবার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। এবার হাই কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক। জানালেন, আগামিকাল অর্থাৎ সোমবার আদালতে যাবেন তিনি।
ভোটকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। ভোট মিটলেও বোমাবাজি-গুলি বন্ধ হয়নি। প্রাণও গিয়েছে। পরবর্তীতে ভাঙড়ের নির্দিষ্ট এলাকায় জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। ভাঙড়ের প্রবেশ দ্বারে নাকা পয়েন্ট করা হয়েছে। স্পর্শকাতর এলাকায় প্রবেশের অনুমতি মিলছে না সকলের। শুক্রবারের পর রবিবারও ফের ভাঙড়ে প্রবেশের আগে বিধাননগরের হাতিশালায় পুলিশি বাধার মুখে পড়েন স্থানীয় বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। একাধিকবার পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার আরজি জানান। কিন্তু লাভ হয়নি। বারবার তাঁকে জানানো হয়েছে, নতুন কোনও নির্দেশিকা না পাওয়া পর্যন্ত তাঁকে ভাঙড়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া যাবে না। এদিকে নিজের অবস্থানে অনড় নওশাদ। প্রয়োজনে হেঁটে যাওয়ার কথাও বলেছিলেন। কিন্তু দুপুর থেকে সন্ধে গড়িয়ে গেলেও অনুমতি মেলেনি।
[আরও পড়ুন: ঘুমন্ত অবস্থায় মা ও ২ মেয়েকে সাপের কামড়, সুস্থ করতে দীর্ঘক্ষণ চলল ঝাঁড়ফুক! পরিণতি ভয়ংকর]
এরপরই আইনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি জানিয়েছেন, পরপর দুদিন যেভাবে অনৈতিকভাবে তাঁকে আটকে রাখা হল,যেভাবে ভাঙড়বাসীকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, এটা মেনে নেওয়া যাবে না। তিনি আদালতে যাবেন। এ প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের দাবি, নওশাদ সিদ্দিকি বিজেপির হয়ে কাজ করছেন। শান্ত ভাঙড়ে গিয়ে অশান্তি করতে পারেন বলেই প্রশাসনের তরফে হয়তো তাঁকে আটকানো হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: জালে উঠল একগোছো ব্যালট পেপার! মাছ ধরতে গিয়ে মৎস্যজীবীদের চোখ ছানাবড়া]
সর্বশেষ খবর
-
‘গণ অনুষ্ঠানে ধাপ্পাশ্রী দেওয়া হোক’, নন্দীগ্রামে মমতার ‘পা ভাঙা’ নিয়ে কটাক্ষ ঋতব্রতর
-
পুজো আসতেই হইচই সল্টলেকে, আইইএম স্কুলে জমজমাট দুর্গাপুজো কার্নিভাল
-
অক্টোপাসের পেটের ভিতরে ঢুকে দুর্গাদর্শন! কুলতলির গ্রামের পুজোয় থাকছে দুরন্ত আলোকসজ্জাও
-
দেশের সব বিক্ষোভকারীদের একছাতায় আনার চেষ্টা! গান্ধীজয়ন্তীর পরই ‘ডিজিটাল সত্যাগ্রহ’ শুরু রাহুলের
-
রাতে অশান্তি, সকালে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় অগ্নিকাণ্ড! বায়রনের বাড়িতে আগুনে ঘনীভূত রহস্য