TMC

ভরাডুবির পরও তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ৩৭০ কোটি! তুঙ্গে বিতর্ক

এত বড় অঙ্কের লেনদেন কোন উদ্দেশে, জানতে চেয়ে অডিটের দাবি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১৮:১৮

options
link
ভরাডুবির পরও তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ৩৭০ কোটি! তুঙ্গে বিতর্ক
ভোটে ভরাডুবির পরও তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে ৩৭০ কোটি জমা! তদন্তের দাবি ঋতব্রতদের

৩৭০ কোটি টাকা তুমি কার? মা-মাটি, নাকি মানুষের? নয়া বিতণ্ডা দুই তৃণমূলের অন্দরে। হেরে যাওয়ার পরেও দেদার টাকা ঢুকছে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। এই টাকার উৎস কী, তা জানতে তৎপর তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ শিবির। বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। এছাড়াও দপ্তরের ভাড়া ও কর্মীদের বেতন নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, বিষয়টি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ও আদালতকে জানানো হবে। যদিও এই ব্যাপারে মুখ খুলতে চায়নি কালীঘাট তৃণমূল।

Advertisement

বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রহস্যজনকভাবে প্রায় ৩৭০ কোটি টাকা জমা পড়েছে, এমনই অভিযোগ ঘিরে দলের অন্দরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এত বিপুল অর্থ কোথা থেকে এল, কেনই বা নির্বাচনের পর এই টাকা জমা পড়ল এবং এতদিন এই অর্থ কোথায় ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে দলেরই একাংশ।

‘আসল’ তৃণমূল ও কালীঘাট তৃণমূল বিতর্কের মাঝেই ঘাসফুল শিবিরের চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে বারবার আবেদনের পরেও অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অনুমতি মেলেনি। বিষয়টি দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। এর মধ্যেই টাকা নিয়ে নয়া বিতর্ক। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রহস্যজনকভাবে প্রায় ৩৭০ কোটি টাকা জমা পড়েছে, এমনই অভিযোগ ঘিরে দলের অন্দরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এত বিপুল অর্থ কোথা থেকে এল, কেনই বা নির্বাচনের পর এই টাকা জমা পড়ল এবং এতদিন এই অর্থ কোথায় ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে দলেরই একাংশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের বক্তব্য, এত বড় অঙ্কের অর্থের উৎস, জমার সময় এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। দলের অডিটেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের আরও দাবি, কালীঘাট তৃণমূলের তরফে শীর্ষ আদালতে এক মামলায় (কালীঘাট তৃণমূলের) আইনজীবী জানিয়েছেন, দলের ২১টি কার্যালয়ের ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে কয়েক কোটি টাকা খরচ হত। পাশাপাশি প্রায় ২৫০ জন কর্মীর বেতন বাবদ মাসে ৫১ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় করা হত বলেও দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল অর্থ কীভাবে এবং কোন আর্থিক পদ্ধতিতে পরিশোধ করা হত, তারও হিসাব প্রকাশ্যে আনার দাবি উঠেছে। ব্যাঙ্কের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হত, না কি অন্য কোনও পদ্ধতিতে? তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট লেনদেনের নথি, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট এবং হিসাবপত্র খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে।

Advertisement

তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোটা বিষয়টি যথাযথ নথিপত্র-সহ আদালতের নজরে আনা হবে। তবে ৩৭০ কোটি টাকা জমা পড়ার অভিযোগ, অর্থের উৎস এবং দলের কর্মীদের বেতন ও কার্যালয় ভাড়ার সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.