West Bengal SIR

‘বাংলায় ভয়ংকর জিনিস ঘটছে’, এসআইআর নিয়ে উদ্বিগ্ন নির্মলার স্বামী

ভোটমুখী বঙ্গে এসআইআর নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯১ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে। যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি'র নামে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১৫:২২

options
link
‘বাংলায় ভয়ংকর জিনিস ঘটছে’, এসআইআর নিয়ে উদ্বিগ্ন নির্মলার স্বামী
বাংলার এসআইআর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ নির্মলার স্বামীর

ভোটমুখী বঙ্গে এসআইআর (West Bengal SIR) নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯১ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে। যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র নামে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের অঙ্গুলিহেলনে এই কাজ করে চলেছে বলেই অভিযোগ। এবার এই ইস্যুতে সরব বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ তথা কেন্দ্রীয় অর্থনীতি নির্মলা সীতারমনের স্বামী পারকালা প্রভাকর।

Advertisement

নির্মলার স্বামী অর্থনীতিবিদ পারকালা বলেন, “আমি বাংলা এবং তামিলনাড়ুতে গিয়েছি। বাংলায় যা দেখছি, তা অত্যন্ত উদ্বেগের। এখন সরকার ঠিক করে দিচ্ছে কে ভোট দেবে, কে দেবে না। এসআইআর প্রক্রিয়ায় বড়জোর হাজার দুয়েক নাম বাদ যেতে পারে। কখনই সংখ্যাটা লক্ষের ঘরে পৌঁছতে পারে না।”

রবিবার কলকাতার প্রেস ক্লাবে ‘এডুকেশনিষ্ট ফোরাম’- এর পক্ষ থেকে একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র অজুহাতে যেভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তার প্রতিবাদেই সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন নির্মলার স্বামী অর্থনীতিবিদ পারকালা প্রভাকর। বক্তব্য রাখতে গিয়ে কমিশন এবং সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। বলেন, “আমি বাংলা এবং তামিলনাড়ুতে গিয়েছি। বাংলায় যা দেখছি, তা অত্যন্ত উদ্বেগের। এখন সরকার ঠিক করে দিচ্ছে কে ভোট দেবে, কে দেবে না। এসআইআর প্রক্রিয়ায় বড়জোর হাজার দুয়েক নাম বাদ যেতে পারে। কখনই সংখ্যাটা লক্ষের ঘরে পৌঁছতে পারে না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেবল বাংলার এসআইআর (West Bengal SIR) প্রসঙ্গে ভোটারদের নাম বাদ প্রসঙ্গই নয়। এর আগে অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের ‘ভোটদানের গতি’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, গত ১৩ মে অন্ধ্রে রাত পৌনে ১২টা থেকে ১৪ মে রাত ১টোর মধ্যে প্রায় ৫২ লক্ষ ভোট পড়ে। যার মধ্যে ১৭ লক্ষ ভোট পড়েছিল মধ্যরাতের পর। হিসাব অনুযায়ী, কোথাও কোথাও ২০ সেকেন্ড একটি, আবার কোথাও ৬ সেকেন্ডে একটি করে ভোট পড়তেও দেখা গিয়েছে। যা কার্যত অসম্ভব। বলে রাখা ভালো, সম্প্রতি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তবে কি ছাব্বিশের ভোটেও বাংলায় ‘অন্ধ্র মডেলে’র পুনরাবৃত্তি হবে, স্বাভাবিকভাবেই উঠছে সে প্রশ্ন।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন