রাস্তার ধারে ফুটপাথবাসীর দুধ গরম নিয়ে মন্ত্রীর আপত্তি এবং ভর্ৎসনার জল বহু দূর গড়িয়েছিল। যদিও এনিয়ে তৈরি হওয়া প্রবল বিতর্কে জল ঢেলে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ওই ফুটপাথবাসী পরিবারকে মাথার উপর ছাদের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন। পুরসভার দায়িত্ব, তাঁদের নিরাপদ বাসস্থান খুঁজে দেওয়া। কিন্তু তাতেও যেন বিতর্ক থামছে না। এবার এনিয়ে ফের মন্তব্য করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বুধবার তিনি বললেন, ‘‘ফুটপাথ দখল একটা ফ্যাশন পশ্চিমবাংলায়। রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের ফায়দা তোলার জন্য এতদিন তা দখলমুক্ত করেনি। কিন্তু এটা করতেই হবে। লোকে এখন অ্যাডজাস্ট করছে।”
আরও পড়ুন:
দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, ‘‘ফুটপাথ দখল একটা ফ্যাশন পশ্চিমবাংলায়।” তাঁর বক্তব্য, ‘‘ফুটপাথ দখলমুক্ত করতেই হবে। এতদিন রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের সুবিধার জন্য এসব করেননি। যানবাহন বেড়েছে, লোক চলাচল বেড়েছে। এখন রাস্তা ছোট হলে সকলেরই খুব অসুবিধা। যেসব রাস্তা এখনও দখল হয়ে আছে, সেসব সরালে রাস্তা যথেষ্ট বড় হবে।”
শহরের ফুটপাথ দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে গোড়া থেকেই কাজে নেমেছে বিজেপি সরকার। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল নিজের শহরের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে প্রাথমিকভাবে এই কাজ করছেন। সম্প্রতি তাঁর এই অভিযান ঘিরেই বিতর্ক দানা বাঁধে। পার্ক স্ট্রিটের কাছে ফুটপাথে এক মহিলাকে বাচ্চার দুধ গরম করতে দেখে অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠেন অগ্নিমিত্রা। তৎক্ষণাৎ তা বন্ধ করার নির্দেশ দেন। পরে কথা বলে জানতে পারেন, ওই পরিবারটি ফুটপাথেই থাকে, বাড়ি নেই তাদের। তা শুনেও অবশ্য মন্ত্রী সাফ জানান, ফুটপাথে থাকেন বলেই রাস্তার উপর খোলা জায়গায় এভাবে দুধ গরম করা যাবে না। মন্ত্রীর এসব কথাবার্তা থেকেই বেশ বিতর্ক তৈরি হয়। মঙ্গলবার অবশ্য ওই পরিবারকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ যান বিধায়ক সজল ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের বাসস্থানের জন্য পুরসভাকে নির্দেশ দেন।
এ তো হল এক ফুটপাথবাসী পরিবারের সমাধান। কিন্তু বাকিদের কী হবে? এ প্রসঙ্গেই দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, ‘‘ফুটপাথ দখল একটা ফ্যাশন পশ্চিমবাংলায়।” তাঁর বক্তব্য, ‘‘ফুটপাথ দখলমুক্ত করতেই হবে। এতদিন রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের সুবিধার জন্য এসব করেননি। যানবাহন বেড়েছে, লোক চলাচল বেড়েছে। এখন রাস্তা ছোট হলে সকলেরই খুব অসুবিধা। যেসব রাস্তা এখনও দখল হয়ে আছে, সেসব সরালে রাস্তা যথেষ্ট বড় হবে। ওই পরিবারটির সঙ্গে আমারও দেখা হয়েছিল গতকাল। ওঁরা বলেছেন যে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই, মুখ্যমন্ত্রীর উপর ভরসা করেন। তো এখন সবাই বুঝতে পারছে, অ্যাডজাস্ট করছে। আমাদের তরফেও আবেদন রইল, সবাই মিলে শহরটাকে একটু পরিচ্ছন্ন করে তুলি। মানুষও সহযোগিতা করছেন। সবটা করতে একটু সময় লাগবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
শিকলবন্দি মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইকে জুতোপেটা! মালদহ মেডিক্যালে অমানবিক দৃশ্য
-
মেটাকে টেক্কা দেবে জিও! দেশি স্মার্ট চশমা বাজারে আনতে চলেছেন আম্বানিরা
-
বিজেপির পদ থেকে ‘বিতাড়িত’, কয়েকদিন পরেই ‘ককরোচ’দের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পদ্ম সাংসদ
-
প্রকৃতির রুদ্ররোষে নেপাল! ‘পাশে আছি’, বলেন্দ্র শাহকে ফোন মোদির, দিলেন সাহায্যের আশ্বাস
-
বাড়িতে কথার ফুলঝুরি, কিন্তু স্কুলে গেলেই চুপ! শুধুই লাজুক নাকি বড় সমস্যায় ভুগছে আপনার শিশু?