Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Malda Medical College and Hospital

শিকলবন্দি মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইকে জুতোপেটা! মালদহ মেডিক্যালে অমানবিক দৃশ্য

ওই যুবক ছোট থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন বলেই খবর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৭:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৭:৪৫

options
link
শিকলবন্দি মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইকে জুতোপেটা! মালদহ মেডিক্যালে অমানবিক দৃশ্য zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

শিকলে বেঁধে টানতে টানতে মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইকে নিয়ে যাচ্ছেন দাদা। চলছে জুতো খুলে মারধর। এমনই অমানবিক দৃশ্যের সাক্ষী রইল মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। মানসিক ভারসাম্যহীন ওই যুবক পুরাতন মালদহের মহিষবাথানী এলাকার বাসিন্দা। পরিবারের দাবি, সে জন্ম থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন। চিকিৎসার জন্য তাকে রাঁচিতেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু লাভ হয়নি। চোখের আড়াল হলেই যুবক নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।

সাত বছর আগে দশদিন সে নিরুদ্দেশ ছিল। এরপর থেকে পরিবারের লোকজন তাকে চোখে চোখে রাখেন। সোমবার প্রতিবন্ধী শংসাপত্রের জন্য চিকিৎসককে দিয়ে পরীক্ষা করাতে যুবককে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের লোকজন। ১৯ আগস্টেও গিয়েছিলেন। কিন্তু সেদিন ওই যুবক পালিয়ে যায়। তাই পরীক্ষা করানো যায়নি। এদিন যেন পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য যুবককে শিকলে বেঁধে রাখা হয় বলে জানান পরিবারের লোকজন।

Advertisement

সোমবার দুপুরে তাঁকে শিকলে বেঁধে টানতে টানতে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রশাসনিকভবনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু কোনওভাবেই তাঁকে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। বিরক্ত হয়ে জুতো খুলে মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইকে মারধর করেন দাদা। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন যুবকের দিদি। তিনি প্রতিবাদ করেননি। মর্মান্তিক ঘটনাটি দেখে ছুটে যান হাসপাতালের এক কর্মী। তিনিই পরিবারকে বুঝিয়ে শান্ত করেন। পরে যুবককে এক জায়গায় বসিয়ে শান্ত করে পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম মুখোপাধ্যায় জানান, বিষয়টি জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হয়েছে। ওই পরিবারকে নিরস্ত করার পাশাপাশি প্রতিবন্ধী শংসাপত্রের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যুবকের দিদি মনতেরা বিবি জানান, ছোটবেলা থেকে ভাই মানসিক সমস্যায় ভুগছে। অন্য সময় ওকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয় না। কিন্তু এখন নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। এদিক-ওদিক চলে যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে শিকল দিয়ে বেঁধে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছে। ডাক্তার দেখানোর পর শিকল খুলে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.