Panchayat Amendment Bill

প্রধান-উপপ্রধান ১৫ দিন না থাকলে বসবে ‘প্রশাসক’, বিধানসভায় আসছে পঞ্চায়েত সংশোধনী বিল

শনিবার বিধানসভার অধিবেশনে 'দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পঞ্চায়েত (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল আসতে চলেছে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৯:২২

options
link
প্রধান-উপপ্রধান ১৫ দিন না থাকলে বসবে ‘প্রশাসক’, বিধানসভায় আসছে পঞ্চায়েত সংশোধনী বিল
বিধানসভায় আসছে পঞ্চায়েত সংশোধনী বিল

পঞ্চায়েত স্তরে কাজের গতি আনতে ও দুর্নীতি রুখতে সচেষ্ট রাজ্য সরকার। সেজন্য আইন সংশোধন করে আনা হচ্ছে বিল। আর আসতে চলা পঞ্চায়েত সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান ১৫ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকলে ওই সময়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের সমস্ত ক্ষমতা ও দায়িত্ব দেখার জন্য প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। বিলে বলা হয়েছে, যদি কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান ও উপপ্রধান ১৫ দিনের বেশি সময় অনুপস্থিত থাকেন এবং নির্বাচিত সদস্যদের কেউ দায়িত্ব নিতে রাজি না হন, ফলে জনপরিষেবা ব্যাহত হলে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ একজন এক্সটেনশন অফিসার বা তার ঊর্ধ্বতন পদমর্যাদার আধিকারিককে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করতে পারবে। এছাড়াও, প্রধান ও উপপ্রধানের অনুপস্থিতিতে টানা দুই মাস গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈঠক না হলে, সংশ্লিষ্ট বিডিও-র অনুমতি নিয়ে পঞ্চায়েতের সচিব বৈঠক ডাকতে পারবেন।

Advertisement

বৈঠকে এক্সটেনশন অফিসার এবং এক্সিকিউটিভঅ্যাসিস্ট্যান্ট পর্যবেক্ষক হিসাবে উপস্থিত থাকবেন। আজ শনিবার বিধানসভার অধিবেশনে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পঞ্চায়েত (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল আসতে চলেছে। পাশাপাশি পঞ্চায়েতের কাজে গতি আনতে এবং পরিষেবার কাজ সরজেমিনে খতিয়ে দেখতে জেলা সফর শুরু করছেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সামনের সপ্তাহেই যাচ্ছেন হাওড়া ও হুগলিতে। জেলায় গিয়ে পঞ্চায়েতের কাজ নিয়ে বিডিও এবং পঞ্চায়েত স্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রী। আবাস যোজনা, অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে শুরু করে জি রাম জি প্রকল্পের কাজ কতটা এগোচ্ছে তা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সম্প্রতি পঞ্চায়েত মন্ত্রী একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে ৩৩৩৯ জন পঞ্চায়েত প্রধানের মধ্যে ছিলেন ২৬১০ জন। ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত স্তরে ঘুঘুর বাসা ভাঙতেও কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

Advertisement

পাঁচ বছর কিংবা তারও বেশি সময় ধরে যে সব আধিকারিক, যেমন চিফ ইঞ্জিনিয়ার থেকে এক্সিকিউটিভইঞ্জিনিয়ার, তাদের অনেককেই বদলি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আগেই দিলীপ জানান যে, পঞ্চায়েত প্রধানদের হাত থেকে তহবিল খরচের ক্ষমতা এবার সচিব (এক্সিকিউটিভ অফিসার)-দের হাতে তুলে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। পঞ্চায়েত প্রধানের সইয়ে আর কোনও কাজ হবে না। যা আজ উত্থাপন হতে চলা পঞ্চায়েত সংশোধনী বিলে রয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত তহবিল থেকে অর্থ প্রদানের আদেশে এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং চেকে এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সচিব যৌথভাবে স্বাক্ষর করবেন। প্রতি মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রধানের কাছে এবং বিডিওর কাছে জমা দেওয়ার দায়িত্বও এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্টের উপর দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.