বিধানসভা নির্বাচনের আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে সিপিআইএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন প্রতীক উর রহমান। এই নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। যদিও রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকে তাঁকে আর সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি। এই আবহে প্রতীক উরের দলবদল নিয়ে চর্চার মধ্যেই বাম-ঘনিষ্ঠ এক আইনজীবীর সঙ্গে কোর্টরুমের মধ্যে তাঁর ছবি ভাইরাল হল। এই নিয়েই অবশেষে মুখ খুললেন তিনি। তাঁর জবাব, “বাম-ঘনিষ্ঠ সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় আমার সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে কোর্টরুমে ছিলেন। ওই কোর্টরুমেই ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী এজেন্টও। কই সেই ছবি তো ভাইরাল হল না! কোর্টের মধ্যে আমরা প্রত্যেকেই আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এই নিয়ে কেউ বিতর্ক করলে কিছু বলার নেই।”
আরও পড়ুন:
প্রতীক উর ২০১৬ সালে আইন নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। পরের বছরই তিনি বার কাউন্সিলের পরীক্ষা পাশ করেন। যদিও সেই সময় বামপন্থী রাজনৈতিতে ফুলটাইমার ছিলেন তিনি। সেই কারণে আইনজীবী হিসেবে তাঁর প্র্যাকটিস থমকে যায়। তৃণমূলে যোগদানের পর আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন প্রতীক উর।
তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকে তাঁকে আর সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি। তিনি শুধু তৃণমূল নয়, রাজনীতিও ছাড়ছেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। এই সব জল্পনা কার্যত উড়িয়ে দিয়ে প্রতীক উর বলেন, “নির্বাচনের পর থেকে পাকাপাকিভাবে হাই কোর্টে এসেছি। রাজনীতিও করছি। তৃণমূল ছেড়ে এখনও অন্য কোথাও যাইনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হয়, দেখা হয়। সেটাই স্বাভাবিক।” তিনি আরও বলেন, “বিজেপি যেভাবে ফ্যাসিবাদি কায়দায় সরকার চালাচ্ছে, তাতে রাস্তার লড়াই যেমন প্রয়োজন, তার থেকেও বেশি প্রয়োজন আইনি লড়াই। সেই তাগিদ থেকেই আইনজীবী পেশায় এসেছি।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ