Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Abhishek Banerjee

বঙ্গে কোভিড টেস্ট জালিয়াতিতেও নাম জড়াল অভিষেকের! তদন্তের নির্দেশ এনএমসির

অভিযোগ পেয়েই নড়েচড়ে বসল ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন। সূত্রের খবর, এনএমসি চিঠি পাঠিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলকে।

অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৬, ১৮:৫২

link
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৬, ১৮:৫২

options
link
বঙ্গে কোভিড টেস্ট জালিয়াতিতেও নাম জড়াল অভিষেকের! তদন্তের নির্দেশ এনএমসির zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

কোভিড টেস্ট কিট নিয়ে জালিয়াতি হয়েছে বঙ্গে। প্রশিক্ষণ নেই এমন কর্মীদের দিয়ে হয়েছে কোভিড ১৯ টেস্টিং ড্রাইভ। এই জালিয়াতির ঘটনাতেও নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। অভিযোগ পেয়েই নড়েচড়ে বসল ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন। সূত্রের খবর, এনএমসি চিঠি পাঠিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলকে।

সম্প্রতি বাংলার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “করোনা পরীক্ষার জন্য ভারত সরকার যে কিটগুলো পাঠিয়েছিল রাজ্য সরকারকে, যে আর্থিক বরাদ্দ করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের জন্য, সেখানে তছরুপ করা হয়েছে। সেই সব রিপোর্ট জনসমক্ষে আনা হবে শীঘ্রই।” ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে জালিয়াতি করেছেন তা উনি নিজেই ভালো জানেন। কোভিড এর যত কিট এসেছিল বাংলার জন্য তা ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট জায়গায়। পশ্চিমবঙ্গের অন্য কোনও সাংসদ কিছু পাননি।” স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, “পশ্চিমবঙ্গের জন্য যত কোভিড টেস্টের কিট এসেছিল তার সিংহভাগ পেয়েছে ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্র। স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে সারা পশ্চিমবঙ্গে যেন একটাই লোকসভা কেন্দ্র। বাকি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কী দোষ ছিল?”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ববি। অভিযোগ, একদিনে ৫৫ হাজার ২০৩ জন মানুষের কোভিড টেস্ট (ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট) করা হয়েছিল ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রে। মাত্র ২৬ জন চিকিৎসককে দিয়ে এই টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছিল। পজিটিভিটি রেট দেখানো হয়েছিল মাত্র ২.৩১ শতাংশ। ওই দিন গোটা রাজ্যে মোট পরীক্ষা হয়েছিল মাত্র ৭১,৭৯২টি। ২৬ জন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ঠিকমতো করোনা টেস্ট না করার অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সিএমওএইচ ও বিএমওএইচ-দের বিরুদ্ধেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের এথিক্স অ্যান্ড মেডিক্যাল রেজিস্ট্রেশন বোর্ড। অভিযোগের সরাসরি নিষ্পত্তি না করে বিষয়টি তদন্তের জন্য পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলের কাছে পাঠিয়েছে কমিশন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.