নন্দীগ্রাম উপ-নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হলে ঋত শিবির কোনও প্রার্থী দেবে না। বুধবার এ কথা সাফ জানালেন ‘আসল তৃণমূলে’র সর্বভারতীয় মুখপাত্র ঋজু দত্ত। বিধানসভার সামনে এ কথা জানিয়েছেন তিনি। ঋজু বলেন, “আমরা বলব মমতা বন্দ্যোপাধায় প্রার্থী হন। জিতে বিধানসভায় আসুন। আপনি প্রার্থী হলে আমরা কোনও প্রার্থী দেব না।”
আরও পড়ুন:
পুজোর আগেই পশ্চিমবঙ্গের দুই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপ-নির্বাচন। এই নির্বাচনে তৃণমূলের ঘাসের উপর জোড়াফুল চিহ্নের প্রতীককে কারা প্রার্থী দেবে তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর ভেঙেচুরে খানখান তৃণমূল। বর্তমানে দলটি আড়াআড়িভাবে দু’টি শিবিরে বিভক্ত ‘কালীঘাট তৃণমূল’ এবং ‘ঋতব্রত শিবির’। আসল তৃণমূল হিসেবে দলের নাম ও দলীয় প্রতীক কোন গোষ্ঠীর দখলে থাকবে, তা নিয়ে টানাপড়েন এখনও জারি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের চিহ্নে ঠিক কোন পক্ষ প্রার্থী দেবে, তা নিয়ে দলের অন্দরেই ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
এ দিন বিধানসভার সামনে দাঁড়িয়ে ঋত শিবিরের ঋজু দত্ত জানিয়ে দেন, মমতা প্রার্থী হলে তাঁরা প্রার্থী দেবেন না। তিনি বলেন, “২১ নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভবানীপুরেও তাঁরা লড়াই করেছে। কিন্তু এবারতো শুভেন্দু অধিকারী নেই। আপনি নন্দীগ্রামে প্রার্থী হলে আমরা প্রার্থী দিব না। চাই আপনি বিধানসভায় ফিরে আসুন।”
এ দিকে নন্দীগ্রামে দাঁড়নো নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, আবু তাহের। তাঁর দাবি, দলের সুসময়ে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে হেরেছিলেন তিনি। এবার উপনির্বাচনেও ভোটে দাঁড়ান মমতাই। আবু তাহেরের আরও দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি তাঁদের সঙ্গে কথা না বলেই প্রার্থী হয়েছেন। তাঁর কথায়, “২০২১ সালে নিজেই নিজের নাম ঘোষণা করে দিয়েছেন। আমরা আন্দোলন করেছি। আমরা বাম আমল থেকে লড়াই করেছি। পরবর্তীকালে বিজেপিও একাধিক মামলা দিয়েছে। কমপক্ষে ১০০টি মামলা রয়েছে। তা সত্ত্বেও আমাদের সঙ্গে কথা বলেননি। তখন দলের সুদিন ছিল। এখন দলের দুর্দিন। এখন নিজে দাঁড়ান।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের