Kolkata

শহরের নামী বেসরকারি স্কুলে পড়ুয়াকে সাপের কামড়, কাঁড়ি কাঁড়ি ফি নিয়েও তলানিতে নজরদারি!

স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৯:৪৬

options
link
শহরের নামী বেসরকারি স্কুলে পড়ুয়াকে সাপের কামড়, কাঁড়ি কাঁড়ি ফি নিয়েও তলানিতে নজরদারি!
ফাইল ছবি

মাসে মাসে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ফি। সঙ্গে সেশন ফি-র বোঝা। তা সত্ত্বেও তলানিতে নজরদারি! কলকাতার প্রথম সারির বেসরকারি স্কুলের শৌচালয়ে তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়াকে সাপের কামড়। যথাযথভাবে চিকিৎসা করানো হয়নি বলেও অভিযোগ। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, এই ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার। ক্লাসের মাঝে পড়ুয়াটি গিয়েছিল শৌচালয়ে। সেখানেই তাকে সাপে কামড়ায় বলেই খবর। অভিভাবকদের একাংশের দাবি, ওই পড়ুয়া স্কুলে জানায়। তা সত্ত্বেও নিকটবর্তী কোনও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি। পরিবর্তে স্কুলেই চিকিৎসা করিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়। যদিও প্রিন্সিপাল সীমা সাপ্রু বলছেন অন্য কথা। তাঁর দাবি, তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া স্কুলে কিছু জানায়নি। সে বাড়ি ফিরে যায়। তারপর পরিবারকে লোকজনকে জানায় ঘটনার কথা। পড়ুয়ার পরিবারের তরফে বিষয়টি তড়িঘড়ি স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।

Advertisement

এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাতেই তার সঙ্গে হাসপাতালে গিয়ে দেখা করেন প্রিন্সিপাল। তিনি জানান, ওই পড়ুয়া স্কুলে জানালে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা করা হত। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। প্রিন্সিপালের আরও দাবি, সাপটি নির্বিষ ছিল। একাধিকবার তাঁর রক্তপরীক্ষা করা হয় বলেও খবর। ওই পড়ুয়া এখন সুস্থ রয়েছে। বুধবার বিকেলে আরও একবার তিনি খুদে পড়ুয়ার সঙ্গে দেখা করবেন বলেও জানান। এছাড়া কোথা থেকে সাপটি এল, কেন তা নজর এড়িয়ে গেল স্কুলে পড়ুয়াদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সকলের – তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান প্রিন্সিপাল।

Advertisement

এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগে খুদে পড়ুয়ার পরিবারের লোকজন। অন্য়ান্য অভিভাবকরাও দুশ্চিন্তায়। তাঁর দাবি, বেসরকারি স্কুলে কষ্ট করে মোটা অঙ্কের বেতন দিয়ে সন্তানকে পড়ান বহু বাবা-মা। তার বদলে তাঁরা সন্তানের নিরাপত্তার আশা করেন। তা সত্ত্বেও সেই নিরাপত্তার ফাঁকফোঁকরে বিরক্ত অভিভাবকরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.