Suvendu Adhikari

৬ মাসের মধ্যেই পুরভোট, কেএমসিতে কেন প্রশাসক? কারণ ব্যাখ্যা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

কলকাতা পুরসভাকে উন্নয়নের জন্য ৬০০ কোটি টাকা দিতে পারেন বলেও জানালেন শুভেন্দু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ১৮:০৯

options
link
৬ মাসের মধ্যেই পুরভোট, কেএমসিতে কেন প্রশাসক? কারণ ব্যাখ্যা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
৬ মাসের মধ্যেই পুরভোট, কেএমসিতে কেন প্রশাসক? কারণ ব্যাখ্যা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

পালাবদলের পর তৃণমূল ভেঙে গিয়েছে তাসের ঘরের মতো। ভেঙে গিয়েছে কলকাতা পুরসভার বোর্ডও। আপাতত দায়িত্বে প্রশাসক। ফলে এই মুহূর্তে শহরবাসীর প্রশ্ন, কবে হবে পুরভোট। সোমবার কলকাতা পুরসভার অনুষ্ঠান থেকে তা নিয়েই মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জানালেন, ৭ ডিসেম্বরের মধ্যেই গঠিত হবে নতুন পুরবোর্ড। অর্থাৎ ছ’মাসের মধ্যেই হবে পুরভোট। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভায় কেন বসানো হল প্রশাসক, তার ব্যাখ্যাও দিলেন তিনি। বললেন, “ওরা সবাই মেয়র হতে চায়! নাগরিক পরিষেবা এক মিনিটের জন্যও বন্ধ রাখা যায় না। তাই বাধ্য হয়েছি প্রশাসক বসাতে।” কলকাতা পুরসভাকে উন্নয়নের জন্য ৬০০ কোটি টাকা দিতে পারেন বলেও জানালেন শুভেন্দু। সেই সঙ্গে পূর্বতন বোর্ড কাজ করেনি বলেও অভিযোগ করলেন তিনি। 

Advertisement

এদিন ফের বিরোধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করার বার্তাই দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “মোদিজি যেভাবে সবাইকে নিয়ে কাজ করেন, আমি সেভাবেই কাজ করব। আজকের অনুষ্ঠানেও বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ডাকা হয়েছে।”

ছাব্বিশে তৃণমূল ক্ষমতাচ্যুত হতেই দলটা ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। প্রথমে ঋতব্রত-পন্থীদের বিদ্রোহে পরিষদীয় দলের রাশ হারিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে সংসদীয় দলের নিয়ন্ত্রণও খুইয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেন ফিরহাদ হাকিম। এরপরই কেন পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে নোটিস পাঠায় নবান্ন। এদিকে মেয়র বাছতে তৃণমূলের তরফে সই সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হলে তাতে রাজি হননি দলের ১৩৫ জন (২ জন মৃত) কাউন্সিলরের অধিকাংশই। জটিলতার মাঝে নাগরিক পরিষেবা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেই উদ্দেশ্যে স্মিতা পাণ্ডেকে প্রশাসকের দায়িত্ব দেয় রাজ্য। একই সঙ্গে লুপ্ত করা হয় কাউন্সিলরদের ক্ষমতা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোমবার কলকাতা পুরসভার অনুষ্ঠান থেকে তা নিয়েই মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। তিনি বলেন,   “আমি আগের বোর্ডকে বলেছিলাম, ওরা ধরে রাখতে পারেনি। কলকাতা পুরসভা তো বন্ধ করে রাখা সম্ভব নয়। নাগরিক পরিষেবা তো দিতে হবে। তাই বাধ্য হয়েছি প্রশাসক বসাতে।” এরপরই মেয়র বাছাইয়ের সই নিয়ে তৃণমূলের অর্ন্তদ্বন্দ্বকেও নিশানা করেন তিনি। বলেন, “ওরা যদি সবাই মেয়র হতে চান, তাতে তো আমার কিছু করার নেই। কলকাতা পুরসভার একটা ঐতিহ্য আছে। একটা বিস্তীর্ণ এলাকা এর অধীনে। এখানে এখনও সকালে পাইপ দিয়ে রাস্তা পরিস্কার হয়। নেতাজি এখানকার মেয়র ছিলেন। আমি এর ঐতিহ্য ক্ষুন্ন হতে দিতে পারি না।” 

Advertisement

কলকাতা পুরসভার ভোট প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যেই নতুন বোর্ড গঠন করা হবে। ওয়ার্ডের পুনর্বিন্যাস করা দরকার।  পাশাপাশি যেখানে প্রশাসক রয়েছে সব জায়গায়ই দ্রুত ভোট হোক চাইছি।” এদিন ফের বিরোধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করার বার্তাই দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “মোদিজি যেভাবে সবাইকে নিয়ে কাজ করেন, আমি সেভাবেই কাজ করব। আজকের অনুষ্ঠানেও বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ডাকা হয়েছে। প্রায় সকলেই এসেছেন। এটাই হওয়া উচিত। রাজনীতি শুধু ভোটের সময়।” তবে পূর্বতন বোর্ড কোনও কাজ করেনি বলে অভিযোগও শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। প্রসঙ্গত, শেষ কলকাতা পুরসভায় ভোট হয়েছিল ২০২১ সালে। পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ডিসেম্বরে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন