গুরুপূর্ণিমার সকালে ফের বেলুড় মঠে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পৌঁছেই তিনি মিশনের প্রধান কার্যালয়ে যান। এরপর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির ঘরে গিয়ে পা ছুঁয়ে তাঁকে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী। পদ্মের মালা ও মা কালীর মূর্তি উপহার দেন। বেশ কিছুক্ষণ রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা হয় তাঁদের। এরপর মুখ্যমন্ত্রী ঘুরে দেখেন মঠ চত্বর।
আরও পড়ুন:

আজ গুরুপূর্ণিমা। স্বাভাবিকভাবেই এদিন সকাল থেকে বেলুড়ে ভক্তদের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। ঘড়ির কাঁটায় এগারোটা নাগাদ বেলুড়ে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে এগিয়ে আসেন অনেকেই। হাঁটতে হাঁটতে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে মিশনের মূল কার্যালয়ে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর যান রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির ঘরে। প্রথমেই ষাষ্টাঙ্গে তাঁকে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর পদ্মের মালা ও মা কালীর মূর্তি উপহার দেন তিনি। এরপর অন্য মহারাজদেরও প্রণাম করেন তিনি। হাতে তুলে দেন উপহার। জানা গিয়েছে, এদিন রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘক্ষণ মহারাজদের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের যোগ বহুদিনের, তাঁর কৈশোরবেলা থেকে। কলকাতায় এলে তিনি সময় করে একবার বেলুড় মঠ ঘুরে যান। সন্ন্যাসী থেকে প্রেসিডেন্ট মহারাজদের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। বিজেপি রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর মোদির দেখানো পথে হেঁটেই বেলুড় মঠে গিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দু মাসের ব্যবধানে এদিন ফের বেলুড়ে মুখ্যমন্ত্রী।
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের