তিনি মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। প্রায় প্রতিদিনই নবান্নে (Nabanna) যান। কিন্তু ক্যান্টিনে যাওয়া হয় না। মঙ্গলবার বিকেলে আচমকা নবান্নের ক্যান্টিন ‘খাদ্যছায়া’য় ঢুঁ মারলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বেশ কিছুক্ষণ কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তাঁদের খোঁজখবর নেন। মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই কর্মীরা খানিকটা চমকেই ওঠেন। বিকেলে গরম গরম চপ খাওয়ার প্রস্তাব দেন। তবে তা না খেয়েই বেরিয়ে যান শুভেন্দু।
আরও পড়ুন:
নবান্নে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে ‘খাদ্যছায়া’। মূলত সেখানকার কর্মীরাই ওই ক্যান্টিনে খাওয়াদাওয়া করেন। মঙ্গলবার বিকেলে আচমকা সেই ক্যান্টিনে ঢুকে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন তিনি। কার কি নাম, কোথায় বাড়ি, এসব জানতে চান। এরপর খাদ্যছায়ার মেনুর খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী। জানতে চান সবজি-ভাতের দাম। এক মহিলা কর্মী জানান, ৪০ টাকায় বিক্রি হয় সবজি থালি। তা শুনে খানিকটা চমকেই যান মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ এত সস্তায় খাবার!
এরপরই সকলকে ভালো করে কাজ করার বার্তা দেন তিনি। আশ্বাস দেন পাশে থাকারও। মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে তাঁরা চা, চপ খাওয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু কিছু না খেয়েই ক্যান্টিন থেকে বেরিয়ে যান তিনি। এভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আপ্লুত খাদ্যছায়ার কর্মীরা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের